মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
​রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কম্বল বিতরণ পূর্ব গুনাগরীতে আলহাজ্ব সাহেব মিঞা চৌধুরী জামে মসজিদ ও খাদেজা বেগম ফোরকানিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক সভা ও ইছালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত। রুমায় বিএসসি-বি নতুন কমিটি গঠিত । সভাপতি লালজারলম বম সাধারণ সম্পাদক- লাললিয়ানসম বম। ঢাকার আশুলিয়ায় শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেড বড়াইগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত!! ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মরহুম আব্দুল আলী ফোরকানিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের সোনা মিয়া হত্যা মামলার ৬ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ভুরুঙ্গামারী মহিলা দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করলেন বোর্ড পরিদর্শক প্রফেসর আব্দুল মান্নান রূপগঞ্জে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্ত তিন অপরাধী গ্রেফতার ডাকাতি, অপহরণ ও মাদক মামলার আসামি; অস্ত্র ও মোবাইল উদ্ধার রংপুর রেজিস্ট্রি অফিসে সেলিনা খাতুনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ :

তাহিরপুরে ন্যায় বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মনোয়ারা বেগমের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন।

প্রতিবেদকের নাম / ১৩৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে নিরীহ এক প্রবাসী নারীর পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে প্রায় নয় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পৌর বিপনী ভবনের দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মেয়ে মোছা. মরিয়ম আক্তার।

তিনি জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সোমবার পাওনা টাকা নিয়ে একই গ্রামের আব্দুল হামিদ ও হোসেন আলীর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার ২৬ দিন পর আব্দুল হামিদের পক্ষের সোনা মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর প্রতিপক্ষের লোকজন হোসেন আলীর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে ১৯টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

মরিয়ম আক্তার বলেন, আমার মা মনোয়ারা বেগম আট বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। আমর এক ছোট ভাই-ও আমি সহ দুই বোন দেশে থাকি। আমাদের পরিবারের কেউ ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়। তারপরও হামিদ গংরা আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এতে প্রায় নয় লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমার মা বিদেশে অবস্থান করলেও তাকে লুটের মামলায় ১০ নং সাক্ষী করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন আবারও আমাদের বাড়ি ও আমার স্বামীর বাড়িতে গিয়ে হামলার হুমকি দেয়।

এ ঘটনায় মরিয়ম আক্তার ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন। তারা প্রশাসনের কাছে জানমালের নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর