মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে এসে হাউসবোট থেকে পড়ে শিশু পর্যটক নিখোঁজের,৪২ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার। রূপগঞ্জে অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন, নগদ অর্থ ও খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ তাহিরপুরে পানিতে পড়ে নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার। । তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিলসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ। মশিউর রহমান (মিল্টন) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত সংযোগ সড়কের অভাবে ঝিনাইগাতীর দিঘীরপাড়ের ৫০ পরিবারের চরম দুর্ভোগ ছাতকে চা বিক্রেতার মেয়ে রুহি পেলো ৭৫ লাখ টাকার স্কলারশিপ রুপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নব গঠিত কমিটির (২০২৬) সভাপতি খলিল সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আলম হোসেন তাহিরপুরে পানিতে পড়ে মানসিক প্রতিবন্ধি কাশেম মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ। শ্রীবরদীতে সোপান যুব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

“একটি গাছই ভবিষ্যতের বীমা, একটি বড় বিনিয়োগ”—ঝিনাইগাতীতে বৃক্ষরোপণে (ইউএনও) আল-আমীনের আহ্বান

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : / ৯০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

“একটি গাছই ভবিষ্যতের বীমা, একটি বড় বিনিয়োগ”—ঝিনাইগাতীতে বৃক্ষরোপণে (ইউএনও) আল-আমীনের আহবান

মিজানুর রহমান,ঝিনাইগাতী, শেরপুর প্রতিনিধি:পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পতিত জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানিয়েছেন ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-আমীন। তিনি বলেন, “পুকুরপাড়, সীমানা প্রাচীর, ক্ষেতের আইল কিংবা বাড়ির আশপাশের অব্যবহৃত জায়গায় সুপারি, নারিকেলসহ বিভিন্ন অর্থকরী গাছ লাগান। এতে যেমন পরিবেশ সবুজ হবে, তেমনি ভবিষ্যতে আর্থিকভাবেও লাভবান হওয়া যাবে। সর্বোপরি একটি গাছ হলো ভবিষ্যতের বীমা, একটি বড় বিনিয়োগ।” ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনের পুকুরপাড়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজিবুল ইসলামও বৃক্ষরোপণে অংশ নেন এবং সবুজায়নের এই উদ্যোগকে সফল করতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।(ইউএনও) আল-আমীন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, পরিবেশ দূষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু অক্সিজেন সরবরাহ বা ছায়া প্রদানই করে না, বরং মাটির ক্ষয়রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।তিনি আরও বলেন, অনেকেই পুকুরপাড়, ক্ষেতের আইল, সীমানা প্রাচীরের পাশ কিংবা বাড়ির আশপাশের খালি জায়গা অব্যবহৃত ফেলে রাখেন। অথচ এসব স্থানে সুপারি, নারিকেলসহ বিভিন্ন ফলজ ও অর্থকরী গাছ রোপণ করলে একদিকে যেমন পতিত জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে তা পরিবারের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদে পরিণত হবে। তাই প্রত্যেক পরিবারকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজিবুল ইসলাম বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার সামাজিক দায়িত্ব। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই পারে একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।এ সময় উপস্থিতরা পরিবেশ সংরক্ষণে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং প্রতিটি রোপণকৃত গাছের যথাযথ পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর