শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শ্রীবরদীর কৃতী সন্তান এম. এ হামিদুর রহমান এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে কর্ণঝোড়া দাখিল মাদরাসায় জেনারেল শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত শ্রীবরদীর কৃতী সন্তান এম. এ হামিদুর রহমান এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে কর্ণঝোড়া দাখিল মাদরাসায় জেনারেল শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নকলায় বালিগঞ্জ বাজার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সার্বিক সহযোগিতা ও সৌজন্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুবাস মিয়া দুলাভাইয়ের পর এবার শ্যালককে ডিলার করার চেষ্টা  রূপগঞ্জের ভায়েলা-মিয়াবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করার দাবিতে মানববন্ধন একটি ভবনের বিদায়, কিন্তু বন্ধুত্বের নয় (নটর ডেম কলেজের হ্যারিংটন ভবনকে ঘিরে স্মৃতি, ভালোবাসা ও এক প্রজন্মের নস্টালজিয়া) বাবুল আহমেদকে বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা। টেকনাফে ওয়ারেন্টভুক্ত রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত ঝিনাইগাতী থানার এস এম নূর-মোহাম্মদ

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নিউজ রুম / ১০৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

 

 

মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটারঃ

 

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

 

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান

জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি।

 

তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে।

 

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর