বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিন্নারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ডা. আলী আক্কাছ। ব্র্যাকের উদ্যেগে কুষ্টিয়া-২ অঞ্চলের দৌলতপুর-১, ২ এবং ভেড়ামারা এলাকা অফিসের আওতায় সকল শাখায় বিনামুল্যে হাঁস এবং মুরগির বাচ্চা পলনের প্রশিক্ষণের আয়োজন ও বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক এনজিওর উদ্যোগে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ তাহিরপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা। শ্রীবরদীতে বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মনীষা আহমেদ রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১ হাজার ৬৮ বোতল অ্যালকোহল মাহারাম নদীর খেয়া ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের পর সাংবাদিকদের হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ ঝিনাইগাতীতে ব্র্যাক স্বপ্নসারথি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন ও টিকাদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ৩ নং নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী কাওসার আহমেদ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আইটি শাখায় বিভাগীয় প্রধান মনোয়ারুল ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হলো চেয়ারম্যান ও সচিব মহোদয়কে

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ৩৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা_

খুলনায় জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় তার নিজ পরিবারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনও বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে।
‎অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (৪৬), পিতা মৃত এম এ কুদ্দুস, মাতা হোসনে আরা বেগম। তার ঠিকানা খুলনার মিউনিসিপাল ট্যাংক রোড এলাকার এপি হোল্ডিং নং ৫০। পুলিশ সূত্রে তার এই ঠিকানা নিশ্চিত করা হয়েছে।
‎জানা যায়, একসময় তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদে উন্নীত হন। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
‎চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তিনি বাবা-মায়ের স্বাক্ষর জাল করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ জন্য একটি ভুয়া সমঝোতা চুক্তিপত্রও তৈরি করা হয়।
‎তদন্তে জানা গেছে, ব্যবহৃত স্ট্যাম্পগুলো ২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা ট্রেজারিতে আসে এবং ৪ মার্চ ক্রয় করা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের তারিখ দেওয়া হয় ১ জানুয়ারি ২০২০—যা ঘটনাটিকে সন্দেহজনক করে তোলে। এ বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে স্বাক্ষর জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
‎এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি নিজের ভাই-বোন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে হয়রানি করে আসছেন। তার বোন ও বোনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবী এবং ভাই একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার।
‎ভুক্তভোগীদের দাবি, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এমনকি নিজের পরিবারের সদস্যদের বাসায় ডাকাতির নাটক সাজানো এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
‎এছাড়া বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিচার বিভাগীয় ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও তিনি একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
‎আরও জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় ভুয়া পরিচয়ে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে ফোনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন। পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে তা বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোর মাধ্যমেও চাপ সৃষ্টি করতেন।
‎অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে তিনি একটি বড় আর্থিক লেনদেনের চেষ্টাও করেন, যা পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাতিল করে।
‎স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর