বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত ঝিনাইগাতী থানার এস এম নূর-মোহাম্মদ মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক পেলেন তাহিরপুরের হাবিবুর রহমান। চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মামলার সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার হোয়াইক্যং চেকপোস্টে বাস তল্লাশিতে ৬৯০ পিস ইয়াবাসহ তরুণ আটক তাড়াশ ভূমি অফিসে নতুন নেতৃত্ব, বাড়ছে সেবাপ্রত্যাশীদের আশা দায়িত্বে মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ ন্যায় বিচার – লরেন্স ডি. বিশ্বাস চারঘাটে বামনদিঘী ওয়ার্ড জামায়াতের গণসংযোগ ছুটির আনন্দ মাটি হতে পারে! হোটেল রুমে ঢুকেই সেরে নিন এই ৫টি কাজ বিশ্বকাপ জয়ের দুই মাস পর স্পেনের কোচের পুরস্কার মিড ডে মিলের দুধ-পাউরুটি খেয়ে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

তাহিরপুরে আর্থিক অনিয়মে চুনাপাথর খনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে’র অধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি

ট্যাকেরঘাট এলাকার ঐতিহ্যবাহী ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ–এর অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আলমকে ৬০ দিনের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবু সুফিয়ান টিপু স্বাক্ষরিত একাধিক স্মারক ও নোটিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অ্যাডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক হিসাব-নিকাশ সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা, কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনীহা এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ উঠেছে।
অভিভাবক সদস্য বাসির আহমেদ জানান, ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, সরকার অটোপাস ঘোষণা করলে শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে—এমন প্রতিশ্রুতি থাকলেও অটোপাসের পর তা ফেরত দেওয়া হয়নি। এছাড়া এসএসসি টেস্ট পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা বাবদ টাকা নেওয়া হয়—পাস করলে ফেরত দেওয়া হবে বলে জানানো হলেও পাস ও ফেল—উভয় শিক্ষার্থীর কেউই টাকা ফেরত পায়নি। ওই অর্থ স্কুল ফান্ডে জমা থাকলেও এখনো পর্যন্ত তা শিক্ষার্থীদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হলেও তা সন্তোষজনকভাবে দাখিল করা হয়নি বলে কমিটি দাবি করেছে। এ বিষয়ে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হলেও তা সন্তোষজনক হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং অফিস সময় সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করার অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অ্যাডহক কমিটির সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ২১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকাল শেষে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয় উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সিনিয়র শিক্ষক মো. মর্তুজ আলীকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যালয় কোড ২৭০৫ এবং কলেজ কোড ২৭০২। প্রশাসনিক এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হবে এবং শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক থাকবে।

নিউজ লেখা পর্যন্ত অধ্যক্ষ খাইরুল আলমের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর