বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আহত পুলিশ পরিদর্শক  শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুরু নরমাল ডেলিভারি সেবা স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ প্রসবসেবার সুযোগ, কমবে প্রসূতিদের ভোগান্তি জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মার্কিন জাল ডলারসহ দুই যুবক আটক। বাংলাদেশ তরুণ সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন সুজন আহাম্মেদ ভাঙা আয়নার শহর: নীরবতাকে দূর্বলতা আর অশিষ্টতাকে স্মার্টনেস ভাবা হয়। প্রবাসীদের রক্তঘামে গড়ে ওঠা সমৃদ্ধি: স্বীকৃতি ও সুরক্ষার অধিকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন,বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। গ্রেটার সিলেট কমিউনিটির সম্মেলনে প্রবাসীদের দাবি: ওসমানী বিমানবন্দর থেকে বিদেশি ফ্লাইট চালু ও ৬ লেনের কাজ দ্রুত সম্পন্নের আহ্বান কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে আওয়ামী লীগ নেতা, এলাকায় আলোচনা বকশীগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার।

বন বিভাগের দৃষ্টি এড়িয়ে,অভয়ারণ্যে থাকা অবৈধ নৌকাগুলো,লোকালয়ে আসার দিন গুনছে।

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ১৫০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর গোলদার

জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি দুই মাস সুন্দরবনে কাকড়া শিকার সম্পন্ন রূপে নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। আজ একমাস ১৯ দিন গত হল।এরই মধ্যে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, সাতক্ষীরা রেঞ্জ অভ্যন্তরে কয়রার লুৎফর কোম্পানি,মোজাফফর কোম্পানি সহ সাধুবেশী,
সকল কোম্পানির অবৈধ কাঁকড়ার নৌকা-
সুন্দরবন তথা অভয়ারণ্য এলাকায় রয়েছে।
বন বিভাগ সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য হতে লোকালয় উঠে আসার পথে- খালের মুখে-কলাগাছিয়া কোবাতক অভিমুখে অন্যদিকে কদমতলা স্টেশন সংলগ্ন চুনকুড়ি মীরগান এবং গোপন পথে বের হওয়া খালের মুখে নদীতে অতিরিক্ত টহল এর ব্যবস্থা করা হলে,ঘটনার সত্যতা মিলবে আশাবাদী নিরীহ জেলে বাওয়ালিরা।
বন বিভাগ তথা সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা গুলোকে সুন্দরবন সুরক্ষায় সতর্ক নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।এতটুকু বলি,লুৎফর কোম্পানির নিজের মুখের স্বীকারোক্তি ৬০ থেকে ৭০ টি নৌকা সুন্দরবনে ব্যবসা করে।বর্তমানে প্রায় ৩০ টির মত নৌকা সুন্দরবন অভ্যন্তরে রয়েছে।লোকালয়ে ফেরার দিন গুনছে।কঠোর টহল ব্যবস্থা ও সতর্ক নজরদারি বজায় রাখলে,কোম্পানিদের কাছে জিম্মি হওয়া অভয়ারণ্যে থাকা অবৈধ নৌকা গুলো আটক করা সম্ভব হবে ধারণা করছেন উপকূলীয় জনগোষ্ঠী। শ্যামনগর কয়রা সহ কয়েকটি উপজেলার লক্ষাধিক জেলে বাওয়ালি সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। তারা সহজ সরল।নিয়ম মেনে ইনকাম করতে চায় কিন্তু কোম্পানি নামধারী লেবাসধারী কিছু সন্ন্যাসী তাদেরকে জিম্মি করে অভয়ারণ্যে নিষিদ্ধ কালীন সময়ে কাঁকড়া শিকারে পাঠায়। অভয়ারণ্য অর্থাৎ সংরক্ষিত এলাকা।যেখানে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।সেখানে শুধু কাঁকড়া শিকার হয় না,ভাসাজাল গয়শা জাল,চরপাটা,ভাসাজাল সহ বিভিন্ন উপায়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মৎস্য নিধন করে চলেছে কোম্পানি নামধারী মহাজনগুলো। অসহায় জেলেরা খুব বেশি লাভবান হতে পারে না। সাতক্ষীরা রেঞ্জ হতে কোম্পানি দূর হোক।জেলে বাওয়ালিরা নিজেরা অফিসে গিয়ে,রাজস্ব দিয়ে-নিয়ম মেনে নদীতে সুন্দরবনে আয় রোজগার করলে ভালো হয়, ধারণা জেলা বাসির।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদয় বিবেচনার নিমিত্তে প্রকাশ করা হলো। সুন্দরবনের গভীর থেকে ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর