শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় টেকনাফে দুই শতাধিক যুবকের অংশগ্রহণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে জেলার শ্রেষ্ঠ এএসআই মিরান হোসেন মোল্লা। বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়েছে। ‘LET’S CLEAN, STAY SAFE & CHANGE JHENAIGATI’ স্লোগানে ঝিনাইগাতীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান তাতিহাটি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদুর রহমান ফারুক মানুষের হৃদয়ে অমলিন ইসমাইল হোসেন চেয়ারম্যান, আজ ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী শাহ পরীর দ্বীপ রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে যুব নেতৃত্বে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে বললেন, ইউএনও মুরাদ হোসেন। রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি তাহিরপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পরে পাঁচ গ্রামের সংঘর্ষ।

রাজনগরের ফতেপুরে কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডব, বর্ষা এলেই আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর

দৈনিক সোনালী সময় / ২০৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ জালাল উদ্দিনঃ মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত প্রায় দশটি গ্রামের মানুষ ভয়াবহ নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন। প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে এলাকাবাসীর। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর, বেড়কুরি, মোল্লাবাড়ি, জাহিদপুর, আব্দুল্লাহপুর, চরকারপার ও কাশিমপুরসহ অন্তত দশটি গ্রাম বর্তমানে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবার এমন অবস্থায় পড়েছে যে, তাদের নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই; অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে দিন কাটাতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী মিরাশ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তার কার্যকর উপস্থিতি দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমদাদুল হক টিটু বলেন, “আমি এ সমস্যা সম্পর্কে সাবেক উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম এবং বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

অন্যদিকে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলিদ জানান, “ফতেপুর ইউনিয়ন ও মনমুখ ইউনিয়নসহ মোট প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় নদীভাঙন রয়েছে। আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং একটি কাজের ড্রাফট প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি। তবে এখনো ফান্ড না আসায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।”

এদিকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আসন্ন বর্ষায় নদীভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর