বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিন্নারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ডা. আলী আক্কাছ। ব্র্যাকের উদ্যেগে কুষ্টিয়া-২ অঞ্চলের দৌলতপুর-১, ২ এবং ভেড়ামারা এলাকা অফিসের আওতায় সকল শাখায় বিনামুল্যে হাঁস এবং মুরগির বাচ্চা পলনের প্রশিক্ষণের আয়োজন ও বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক এনজিওর উদ্যোগে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ তাহিরপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা। শ্রীবরদীতে বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মনীষা আহমেদ রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১ হাজার ৬৮ বোতল অ্যালকোহল মাহারাম নদীর খেয়া ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের পর সাংবাদিকদের হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ ঝিনাইগাতীতে ব্র্যাক স্বপ্নসারথি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন ও টিকাদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ৩ নং নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী কাওসার আহমেদ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আইটি শাখায় বিভাগীয় প্রধান মনোয়ারুল ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হলো চেয়ারম্যান ও সচিব মহোদয়কে

রাজশাহীতে স্ত্রীসহ সহকারী পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ / ১০৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় চিফ রাজশাহীঃ

রাজশাহীতে সম্পদ গোপন ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন রাজশাহী কার্যালয়ে মামলার এজাহার দায়ের করেন। মামলায় গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)কে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের আগস্টে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন।
তদন্তে আরও বলা হয়, শাহানা পারভীনের বৈধ আয় ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। অথচ পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে প্রায় ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দুদকের দাবি।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, মামলার অভিযোগ সঠিক নয়। তার দাবি, তাদের বৈধ আয়ের উৎস রয়েছে এবং নিয়মিত কর প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখিত সম্পদ তার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর