বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

জমি বন্ধকের নামে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, নীলফামারী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম / ৯২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: নীলফামারী সদর উপজেলায় জমি বন্ধকের নামে পাঁচ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা নীলফামারী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগকারী হলেন—
মোঃ ময়নুল ইসলাম (পিতা: মোঃ বুলবুল ইসলাম) ও মোঃ মোবারক আলী (পিতা: মৃত জমেতুল্লা)। তারা উভয়েই উত্তর আশশী কারবালার ডাঙ্গা, পঞ্চপুকুর, নীলফামারী সদর উপজেলার বাসিন্দা।

লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, গত ৩ জুন ২০২৪ ইং তারিখে বিবাদী মোঃ আবু বকর (পিতা: ন্যাগা কুড়া) ও তার ছেলে মোঃ মোরজালিনের সঙ্গে ৩.৫ বিঘা জমি বন্ধক সংক্রান্ত একটি চুক্তি সম্পাদন হয়। এ সময় প্রথম ধাপে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ৫০ হাজার টাকা, মোট ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন বিবাদীরা। চুক্তিটি ৩০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পন্ন হয়।

অভিযোগে বলা হয়, টাকা গ্রহণের সময় জমিতে সেচ মৌসুমের ধান ছিল। ধান কাটার পর জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও ধান কাটার পরপরই বিবাদীরা পুনরায় জমি চাষ শুরু করেন। বাদী পক্ষ জমিতে গেলে তারা নানা ধরনের টালবাহানা করতে থাকেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্বাক্ষীদের নিয়ে একাধিকবার টাকা ফেরত কিংবা জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হলেও বিবাদীরা কখনো টাকা দেবেন, কখনো জমি দেবেন—এমন আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জমির প্রকৃত মালিক মরহুম মোজাম্মেল হক (সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা)-এর দুই ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল আহাদ ও মোঃ আব্দুল্লাহ আল হাদী। তারা ঢাকায় বসবাস করেন এবং তাদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন বিবাদীরা। বিবাদীরা মালিকদের না জানিয়েই বন্ধক সম্পন্ন করেন এবং ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা হলে নিজেরাই দায় নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হয়ে অন্য কোনো উপায় না পেয়ে ন্যায়বিচারের আশায় অভিযোগকারীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে নীলফামারী সদর থানার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর