বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

দীর্ঘদিনের অবৈধ বালু ব্যবসায়ে হানা, বিশ্বম্ভরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর অভিযান।

সহকারী বার্তা সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন সেলিম / ১০৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার।

বালু ভর্তি ট্রলি জব্দ, এক লক্ষ টাকা জরিমানা।
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অবশেষে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ২নং ব্লকের পুরানগাঁও পূর্বপাড়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে বালু ভর্তি ট্রলি জব্দসহ এক লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুরানগাঁও পূর্বপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বসন্তপুর বাজার সড়ক ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিল। এতে করে আশপাশের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের বসতভিটা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও একই এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে মো. জমির হোসেন (জামসেদ)–কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হলেও পুনরায় বালু উত্তোলন শুরু করে ঐএকটি চক্র। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খান ও বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে বালু ভর্তি ট্রলি জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মো. জমির হোসেন (জামসেদ), পিতা—সাজেদ আলী, গ্রাম—পুরানগাঁওকে ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খান বলেন,“অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ, নদী ও মানুষের বসতভিটা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এলাকাবাসী প্রশাসনের এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তারা নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও অবৈধ বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, মূল হোতাদের আইনের আওতায় না আনলে এ অবৈধ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর