বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

ইসলামপুরে মাছ চুরি সন্দেহে এক যুবককে রাতভর নির্যাতন করে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করল ইউপি সদস্য

প্রতিবেদকের নাম / ১১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

কক্সবাজার ঈদগাঁও উপজেলায় মাছ চুরির মিথ্যে
অভিযোগে রাতভর মধ্যযুগীয় কায়দায় পৈশাচিক
নির্যাতন চালিয়ে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইসলামপুর ইউনিয়নের (৩ নং ওয়ার্ড) মেম্বার নুর মোহাম্মদ এর বিরোদ্ধে ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে উপজেলার মধ্যম নাপিত খালী এলাকায় সোলাইমান ড্রাইভারে ছেলে সেলিম বাবুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মাছ চুরি সন্দহে এমন অমানুষিক নির্যাতন চালান মেম্বার নুর মোহাম্মদ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা।

আহতের স্ত্রী জানান, মিথ্যে মাছ চুরির সন্দহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আমার স্বামীকে রাতভর যে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানাই। সকালে খবর পেয়ে আমি আমার স্বামীকে মার ধরে হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে মেম্বারের ছেলে ইযাবা ব্যবসায়ী আতা উল্লাহ আমার চুলের মুড়ি ধরে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারে।

এবং (৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার) মোহাম্ম আলী খালি ষ্টামে আমার স্বাক্ষর নিয়ে রাখে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আমার স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে আসি এবং বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
স্হানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে তিনি এমন অমানবিক করতে পারেনা। এ-র আগে ও তিনি দুইজন চৌকিদার পিটিয়ে আহত করে ছিলেন। তারা আরো জানান,সন্দেহভাজন ব্যক্তি যদি তিনি অপরাধ করে থাকেন, তবে তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে অমানবিকভাবে পিটিয়ে চোখ তুলে নেওয়া বা হাড় ভেঙে দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই পৈশাচিক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর