বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কৃষকের ছেলে হলেন ৪৬তম বিসিএস ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ৯৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর গান্ধীগাও গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন মনোয়ার হোসেন।

মনোয়ার হোসেনের পিতা মোঃ খোরশেদ আলম পেশায় একজন কৃষক। মাতা কুলছুম বেগমের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি পঞ্চম সন্তান।

মনোয়ার হোসেন এর আরও দুই ভাই দুই বোন রয়েছেন।
ছোট থেকেই মো:মানোয়ার হোসেন মেধাবী ছাত্র ছিলেন।
তিনি রাংটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

এরপর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

তিনি দিন রাত পরিশ্রম করে পড়াশোনা করেন, মনোয়ার হোসেন হাল ছাড়েন নাই অবশেষে তিনি ৪৬ তম বিসিএস পরীক্ষায় (শিক্ষা ) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

মনোয়ার হোসেন এর স্বপ্ন ছিল বিসিএস ক্যাডার হওয়ার। তার স্বপ্ন পুরণে নিরলসভাবে পড়াশোনা করেছেন।  মনোয়ার হোসেনের বাবা খোরশেদ আলম প্রতিনিধিকে জানান, সন্তানকে উচ্চ শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে আমি ও আমার স্ত্রী কুলছুম বেগম অত্যন্ত পরিশ্রম করেছি। ছেলে পরিবার, গ্রামবাসী ও এলাকার মানুষের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমি ছেলের জন্য দোয়া চাই।

মনোয়ার হোসেন প্রতিনিধি কে জানান, আদর্শবান ও সৎ মানুষ হওয়াই আমার জীবনের মুল লক্ষ্য। শিক্ষা জীবনের শুরুতেই স্বপ্ন বুনেছিলাম পড়াশোনা করে ভালো সরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্মানের সাথে চাকরি করবো। আলহামদুলিল্লাহ! আশা পূর্ণ হয়েছে।

মনোয়ার হোসেন জানান, এই কৃতিত্বের সাথে সফলতায় যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি তারা হলেন- আমার বাবা-মা। শিক্ষা জীবনে নিজের সর্বোচ্চ পরিশ্রম, চেষ্টা, পড়ালেখা করা, মানুষের দোয়া, আল্লাহর রহমত, ভাগ্য, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা ও সবকিছুর সমন্বয়েই ভালো কিছু করা সম্ভব। সর্বোপরি সকলের কাছে আমি দোয়াপ্রার্থী সামনের দিনে দায়িত্বগুলো যেন নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর