রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেরপুর গারো পাহাড়ের ভাইরাল জাপান খ্যাত আগর বাগান বন বিভাগের হস্তক্ষেপে প্রবেশ নিষিদ্ধ সারিকালিনগর (বালুরচর) গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি: ৩.২৫ কিলোমিটার আইডিভুক্ত রাস্তা পাকাকরণের আহ্বান ‎দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা কর্মশালা-২০২৬ অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার তাহিরপুরে ৫২ পিস ইয়াবাসহ ১ ব্যবসায়ী আটক সিংগাইরে ছাত্তার ফাউন্ডেশনের ১৫ লাখ টাকা অনুদান পেল ১৫ টি অসহায় পরিবার সিলেটের জৈন্তাপুরে যুবদল নেতা পরিচয়ে ‘ব্রয়লার সেলিম’ সিন্ডিকেটের দাপট ঐতিহাসিক রাজবাড়ী ও মিনি স্টেডিয়াম ঘিরেও নানা অনিয়মের অভিযোগ। শ্রীবরদীতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জনগণের শাসক নয়, সেবক হতে চাই-চেয়ারম্যান প্রার্থিতার ঘোষণা নাসির মিয়ার। গ্রামের মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক: ডা.জে এম রাসেল হাসানের সাফল্য

শেরপুর গারো পাহাড়ের ভাইরাল জাপান খ্যাত আগর বাগান বন বিভাগের হস্তক্ষেপে প্রবেশ নিষিদ্ধ

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : / ২১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

শেরপুর গারো পাহাড়ের ভাইরাল জাপান খ্যাত আগর বাগান বন বিভাগের হস্তক্ষেপে প্রবেশ নিষিদ্ধ!

মিজানুর রহমান,শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের গজনী এলাকায় অবস্থিত জনপ্রিয় ‘জাপান খ্যাত’ আগর বাগানে জনসাধারণের প্রবেশ সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ওঠায় আগর বাগানে পর্যটকদের ঢল নেমেছিল। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীর অবাধ পদচারণায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। বন বিভাগের মতে, এই অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা, গাছপালা ও সামগ্রিক ইকোসিস্টেমের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছিল।
তাওয়াকুচা ও গজনী বিটের আওতাধীন প্রায় ৯০ হেক্টরজুড়ে বিস্তৃত এই আগর বাগান সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অংশ। বন আইন অনুসারে এখানে সাধারণ জনগণের অবাধ প্রবেশ আগে থেকেই নিয়ন্ত্রিত ছিল।
ঘন সবুজ পাহাড়ি পথ, সারি সারি আগর গাছ আর শান্ত পরিবেশের জন্য এই স্থানটি ‘মিনি জাপান’ নামে খ্যাতি লাভ করেছিল। অনেক দর্শনার্থী মন্তব্য করতেন, “পাসপোর্ট ছাড়াই জাপান ভ্রমণের অনুভূতি” পাওয়া যায় এখানে। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে এই সৌন্দর্য এখন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।

বন বিভাগের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা এসবি তানভীর আহমেদ ইমন প্রতিনিধিকে বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করে ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রিতভাবে পর্যটন চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন ও বনকর্মীরা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সতর্ক রয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞা মেনে চলুন। প্রকৃতি রক্ষা করলে এই অপরূপ সৌন্দর্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অটুট থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর