বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঈদ উপলক্ষে রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল নীলফামারী সদরবাসীকে যুবদল নেতা শামীম শাহ্ আলম (তমু)-এর ঈদ শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল ওয়াহেদ সরকার “আজ আমার জন্মদিন” ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন র‍্যাবের নতুন ডিজি কারমাইকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র আহসান হাবীব পলাশকে প্রাক্তন শিক্ষার্থী সমিতির অভিনন্দন বৃটেনের কাডিফে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র সাউথ ওয়েলস রিজিওনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মো:শাহজালাল, সাধারণ সম্পাদক কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি ঝিনাইগাতী, শেরপুর।

পাহাড়তলী শফি মটরস আলিফ গলিতে চাঁদাবাজির মহা উৎসব

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন বিসিক শিল্প ও বাণিজ্য এলাকাটি এখন চাঁদাবাজ চক্রের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। পরিবহন সেক্টরকে জিম্মি করে এখানে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। স্থানীয়দের অভিযোগ, কতিপয় অসাধু পুলিশ সদস্য, নামধারী ভুয়া সাংবাদিক এবং বিএনপি নেতা পরিচয়দানকারী একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে। এই অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে উল্টো তোপের মুখে পড়ছেন মূলধারার সাংবাদিকরা। বিসিকের শফি মটরস আলিফ গলিসহ পুরো এলাকায় চলছে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির মহা উৎসব, যারা রুখবে তারাই ম্যানেজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিসিক এলাকার প্রধান সড়কের দুই পাশ দখল করে অবৈধভাবে শত শত ট্রাক ও পণ্যবাহী গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়েছে। এতে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও, এই অবৈধ পার্কিংই চাঁদাবাজ চক্রের আয়ের মূল উৎস। চালকদের অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের হাতে জিম্মি থাকলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চান না।

সম্প্রতি এই নৈরাজ্যের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের কাজে সরাসরি বাধা প্রদান করা হয়। অভিযোগের তীর আব্দুল রহিম নামের এক ব্যক্তির দিকে, যিনি এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা হিসেবে পরিচিত।

সাংবাদিকরা আব্দুল রহিমের মুখোমুখি হলে তিনি শুরুতে দম্ভভরে নিজের অপকর্মের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “ভাইয়া, আপনার সব কথাই ঠিক আছে… আমি এক জায়গায় চাঁদাবাজি করি।” তবে সংবাদ সংগ্রহের বিষয়টি টের পেয়ে এবং পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিষয়টি রফাদফা করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে বিসিক এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর