বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে বদলে গেছে ডোমার উপজেলার চিত্র ডোমার পৌরসভা-এর স্বচ্ছতা ও সুশাসনের রূপকার হিসাবরক্ষক ইবনে করিম মোঃ হুসাইনুজ্জামান (সিফাত) ডোমার উপজেলা–এর ওসি এলএসডি মোছাঃ কাজল রেখার ইতিবাচক উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার হাটহাজারী অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও কুরআন শরীফ বিতরণ; ঝিনাইগাতীতে অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নাসরিন বেগম! বিশ্বম্ভরপুরে বাঁধ পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেরপুরে ১৮ মাস যাবত রাস্তার কাজ বন্ধ: ঠিকাদার লাপাত্তা, জনভোগান্তি চরমে!  ডায়মন্ড বেকারী: উত্তরবঙ্গের গর্বের নাম ৩১ দফা বাস্তবায়নে উন্নয়ন কর্মসূচি আরও জোরদার হবে: অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল, সততা ও স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত: সৈয়দপুর পৌরসভার হিসাব রক্ষক মোঃ আবু তাহের

আগামী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে চান সাধারণ মানুষ

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ৪৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

এম ডি বাবুল বিশেষ প্রতিনিধি

আট নং কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দীর্ঘদিনের নির্যাতিত ও নিপীড়িত বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। এলাকাজুড়ে এখন একটাই দাবি—ত্যাগী, সৎ ও পরীক্ষিত কর্মী হিসেবে সাইফুদ্দিন চৌধুরীকেই চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হোক।

স্থানীয়রা জানান, বিএনপির দুঃসময়ে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন চৌধুরী রাজপথে সক্রিয় থেকে দলীয় কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে একাধিকবার নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হলেও তিনি কখনো এলাকা ও মানুষের পাশ থেকে সরে যাননি। মানুষের বিপদে-আপদে নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ানোই ছিল তার রাজনীতির মূল দর্শন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতীতে ইউনিয়ন পরিষদে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত হয়নি। তারা মনে করেন, ক্ষমতার লোভে নয়—বরং জনগণের অধিকার আদায়ের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে পারেন এমন একজন ত্যাগী কর্মীই এখন সময়ের দাবি। সেই জায়গা থেকে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন চৌধুরীই হচ্ছেন সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় মুখ।

স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, “আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে কোনো সুবিধাভোগী মুখ চাই না। আমরা চাই একজন নির্যাতিত, পরীক্ষিত ও মাঠের কর্মী—যিনি মানুষের কষ্ট বোঝেন এবং ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে পারেন।”
এ বিষয়ে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোনো পদ বা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, ন্যায্য অধিকার ও উন্নয়নের স্বপ্নকে বুকে ধারণ করেই রাজপথে ছিলাম। নির্যাতন ও নিপীড়ন আমাকে পিছিয়ে দিতে পারেনি, বরং মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়েছে। যদি জনগণ আমাকে দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমি দল-মত নির্বিশেষে আট নং কাশিয়াইশ ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সেবা করতে চাই।

সততা, ন্যায় ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি মানবিক ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য।”

এলাকাবাসীর দৃঢ় প্রত্যাশা, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত দাবি সংশ্লিষ্ট মহল গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং আট নং কাশিয়াইশ ইউনিয়নের উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব নিশ্চিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর