মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডায়মন্ড বেকারী: উত্তরবঙ্গের গর্বের নাম ৩১ দফা বাস্তবায়নে উন্নয়ন কর্মসূচি আরও জোরদার হবে: অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল, সততা ও স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত: সৈয়দপুর পৌরসভার হিসাব রক্ষক মোঃ আবু তাহের টি.আর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পে উন্নয়নের ছোঁয়া: বদলে যাচ্ছে সৈয়দপুর বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ, অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি স্বপ্ন বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল। নাগেশ্বরীতে ব্র্যাক মাইক্রোফাইনান্স ( দাবি+) কর্মসূচির উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নীলফামারী পৌরসভার অগ্রযাত্রা: প্রশাসক মোঃ সাইদুল ইসলামের সুদক্ষ নেতৃত্বে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ান এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত;

টি.আর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পে উন্নয়নের ছোঁয়া: বদলে যাচ্ছে সৈয়দপুর

প্রতিবেদকের নাম / ৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

আল হেদায়েতুল্লা (সুজন): নীলফামারী জেলা-এর আওতাধীন সৈয়দপুর উপজেলায় টি.আর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। গ্রামীণ সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো মেরামতসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থানীয় জনজীবনে স্বস্তি ফিরেছে।

উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হওয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। ফলে অল্প সময়ে টেকসই উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মাবুদ বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। জনগণের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ নির্বাচন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নও ত্বরান্বিত হয়েছে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে কাঁচা সড়ক ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলে ভোগান্তি হতো। এখন সংস্কারকৃত সড়ক ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সৈয়দপুরে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল।

এছাড়া প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে এলাকার অসচ্ছল ও কর্মহীন মানুষের জন্য অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা তাদের পরিবারে আর্থিক স্বস্তি এনে দিয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে সৈয়দপুর উপজেলা ভবিষ্যতে আরও উন্নয়ন ও অগ্রগতির মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর