রিপোর্টার, প্রেসক্লাব সম্পাদক মো রুমন ইসলাম।
আশিক রহমানের এই কার্যক্রম সম্পর্কে গ্রামের সাধারণ মানুষ জানান, “অনেকে শুধু বড় বড় কথা বলে, কিন্তু আশিক ভাই সবসময় আমাদের দুঃখ-সুখে পাশে থাকেন। এবারের ঈদে তার দেওয়া উপহার আমাদের ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।”
মো: আশিক রহমান বিশ্বাস করেন, সামর্থ্যবানরা যদি এভাবে নিজ নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ান, তবে সমাজে কোনো মানুষই ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে না। তার এই নিঃস্বার্থ মানবিক কাজ ভেড়ামারার তরুণ প্রজন্মের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা।
ব্যস্ততা মানুষকে যান্ত্রিক করে তোলে, কিন্তু হৃদয়ে যদি মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকে, তবে কোনো ব্যস্ততাই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। এর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ভেড়ামারা উপজেলার স্বরূপেরঘোপ গ্রামের কৃতি সন্তান মো: আশিক রহমান।
প্রতি বছরের ন্যায় এই পবিত্র ঈদুল ফিতরেও তিনি ভুলে যাননি সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কথা। নিজের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক শত ব্যস্ততা স্বত্বেও তিনি নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছেন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দায়িত্ব।
নিজের শত ব্যস্ততাকে একপাশে সরিয়ে রেখে, তিনি ছুটে গিয়েছেন গ্রামের মেহনতি আর অভাবী মানুষের দুয়ারে। তিনি মনে করেন, প্রকৃত ঈদ আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন পাড়া-প্রতিবেশী কেউ অনাহারে থাকে না। লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে নিজের দায়িত্ববোধ থেকে তিনি অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন
“মানুষ মানুষের জন্য”—এই কালজয়ী বাক্যটি আবারও বাস্তবে রূপ দান করলেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার স্বরূপেরঘোপ গ্রামের প্রিয় মুখ মো: আশিক রহমান। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ যখন সবাই নিজের পরিবার-পরিজন নিয়ে উদযাপনে ব্যস্ত, তখন আশিক রহমান বেছে নিয়েছেন এক ভিন্ন পথ।
আমাদের সমাজে আশিক রহমানের মতো এমন হাজারো তরুণের প্রয়োজন, যারা শুধু নিজের কথা না ভেবে ভাববে পাশের মানুষটির কথা। তার এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা একদিন বড় কোনো পরিবর্তনের পথ দেখাবে। আশিক রহমানের এই মহৎ কাজ আগামীতেও অব্যাহত থাকুক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
আশিক রহমানের এই উদ্যোগের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো তার বিনয়। কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই তিনি নিজে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। তার এই মমত্ববোধ স্বরূপেরঘোপ গ্রামের সাধারণ মানুষের মনে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠরা তাকে দুহাত ভরে দোয়া করেছেন।
”আশিক রহমান আমাদের গ্রামের ছেলে হিসেবে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তার মতো যুবকরাই আমাদের সমাজের সম্পদ।” — স্বরূপেরঘোপের একজন স্থানীয় বাসিন্দা।