আল হেদায়েতুল্লা (সুজন): পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে নীলফামারী জেলায় বেড়েছিল যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। তবে সুসমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ট্রাফিক ইন্সট্রাক্টর (প্রশাসন) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান-এর নেতৃত্বে পুরো ঈদযাত্রা ছিল তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক এবং বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে আগে থেকেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাসস্ট্যান্ড ও ব্যস্ত সংযোগস্থলগুলোতে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন এবং সার্বক্ষণিক তদারকির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যা যান চলাচলকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
যানজট কমাতে বিকল্প সড়ক ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, অবৈধ পার্কিং প্রতিরোধ, অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান—এসব পদক্ষেপ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করে তোলে। পাশাপাশি, যাত্রীদের সচেতন করতে মাইকিং ও সরাসরি নির্দেশনার মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখেন। তার বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা পুরো ব্যবস্থাপনাকে করেছে গতিশীল ও ফলপ্রসূ। পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে তিনি একজন কার্যকর প্রশাসনিক নেতৃত্ব হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিমত, এবারের ঈদযাত্রায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছিল অনেক বেশি সুসংগঠিত, যার ফলে যাতায়াতে ভোগান্তি কমেছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, আগাম প্রস্তুতি, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার কারণে নীলফামারীতে এবারের ঈদযাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক ও শৃঙ্খলাপূর্ণ—যা ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।