শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
“আমার বিসিএস সাফল্যের নেপথ্যের নায়িকা তুমি “–জন্মদিনে স্ত্রী সামিনাকে এক পুলিশ ক্যাডারের আবেগঘন খোলা চিঠি ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: একজনের কারাদণ্ড, ৪টি যানবাহন আটক বাবার স্বপ্ন থেকে বিসিএসে তিনবার সাফল্য: অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও সংগ্রামের অনন্য দৃষ্টান্ত ফাতেমা তুজ জোহরার বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই শহীদ দিবস ক্রিকেট মাঠ থেকে প্রশাসনের অঙ্গনে: ৪৭তম বিসিএসে মেধাক্রম ৯১তম হয়ে ক্যাডার আমিন খানের অনন্য সাফল্য চট্টগ্রাম সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এরাদুল হক ভুট্টের রেখে যাওয়া সিন্ডিকেট সক্রিয় দক্ষিণ নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিপ্লব হোসেন বাপ্পি জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কোন্নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ টাওয়ার হ্যামলেটস কেয়ারারস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মধ্যাহ্নভোজ ও ভর্তা পার্টি’ স্বপ্ন থেকে সাফল্যে:ভালোবাসা, ত্যাগ আর অধ্যবসায়ে ৪৭ তম বিসিএস একই ক্যাডারে স্বামী- স্ত্রী অনন্য অর্জন

চট্টগ্রাম সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এরাদুল হক ভুট্টের রেখে যাওয়া সিন্ডিকেট সক্রিয়

আনিছুর রহমান / ২১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:- চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক সহকারী এরাদুল হক ভুট্টের অনুপস্থিতিতেও তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে সিন্ডিকেটটি এখনও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা যায়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, মোহাম্মদ হোসাইন ওরফে ‘ব্যান্ডিজ হোসাইন’ বর্তমানে চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে প্রভাব বিস্তার করছেন। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, তিনি নকলনবিশের পাশাপাশি সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে এসএটি অ্যাক্ট মোহরার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

একই সঙ্গে প্রশান্ত কুমার সরকার, জামাল উদ্দীন ও নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সহকারী হিসেবে কর্মরত থাকা এরাদুল হক ভুট্ট দীর্ঘদিন রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে প্রভাব বিস্তার করেন। তার বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তদন্ত শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলেও কার্যকর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে এই দাবির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, বর্তমানে কাগজে-কলমে আধুনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে কর্মরত থাকলেও এরাদুল হক ভুট্ট নিয়মিত অফিসে উপস্থিত হন না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত উল্লিখিত অভিযোগের বিষয়ে এরাদুল হক ভুট্ট, মোহাম্মদ হোসাইন, প্রশান্ত কুমার সরকার, জামাল উদ্দীন, নাছির উদ্দিন কিংবা সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর