বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে বদলে গেছে ডোমার উপজেলার চিত্র ডোমার পৌরসভা-এর স্বচ্ছতা ও সুশাসনের রূপকার হিসাবরক্ষক ইবনে করিম মোঃ হুসাইনুজ্জামান (সিফাত) ডোমার উপজেলা–এর ওসি এলএসডি মোছাঃ কাজল রেখার ইতিবাচক উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার হাটহাজারী অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও কুরআন শরীফ বিতরণ; ঝিনাইগাতীতে অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নাসরিন বেগম! বিশ্বম্ভরপুরে বাঁধ পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেরপুরে ১৮ মাস যাবত রাস্তার কাজ বন্ধ: ঠিকাদার লাপাত্তা, জনভোগান্তি চরমে!  ডায়মন্ড বেকারী: উত্তরবঙ্গের গর্বের নাম ৩১ দফা বাস্তবায়নে উন্নয়ন কর্মসূচি আরও জোরদার হবে: অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল, সততা ও স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত: সৈয়দপুর পৌরসভার হিসাব রক্ষক মোঃ আবু তাহের

রাজশাহী বাঘা ভেজাল গুড়ের কারখানায় অভিযান, এক লক্ষ টাকা জরিমানা!

মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটার। / ৬৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটার।

রাজশাহী বাঘা উপজেলার আড়ানীতে ভেজাল গুড় উৎপাদনকারী দুই কারখানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছে। এসময় অবৈধ কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণাসহ উভয়কে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় ।

সোমবার ( ২২ ডিসেম্বর) সকালে অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহীর সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস। এছাড়াও অভিযানে পুলিশের একটি চৌকস টিমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, উপজেলার আড়ানী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় মোঃ পাঞ্জা আলী ও মোহাম্মদ আলম আলীর বাড়িতে অবৈধ ভেজাল গুড় উৎপাদকারী কারখানায় অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় কারখানা তল্লাশি করে বিভিন্ন রাসায়নিক অপদ্রব্য, যার মধ্যে ছিল ফিটকিরি, পাথরি চুন, হাইড্রোস এবং চিনি মিশ্রণ উদ্ধার করা হয়।

এমন অভিযান নিয়মিতভাবে চললে স্থানীয়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে এবং ভেজাল খাদ্যের ব্যবহার কমে আসবে বলে ধারনা করছেন সচেতন মহলের ব্যক্তিবর্গ। 

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রাজশাহীর সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস জানান, অবৈধ কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং উভয়কে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এই ধরনের পদার্থ গুড় উৎপাদনে ব্যবহার করা নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। আগামীতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর