মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেরপুরে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মেজর মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান! মাদক ব্যবসায়ীর নির্দেশে হামলা: পঙ্গু ব্যবসায়ী, প্রভাবের অভিযোগ। মুন্সীবাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক সৈয়দ এনামুল হক। শেরপুরে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত! রংপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার। শেরপুরে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মেজর মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান!  নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৪ ঢাকার পিপি এডভোকেট এরশাদ আলম জর্জ ! *নববর্ষের শুভেচ্ছা বাণী-* শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিক এহসান বিন মুজাহিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

নাটোরের গুরুদাসপুরে পানির অপচয়রোধে কৃষক প্রশিক্ষণ

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ৫৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নাটোর জেলা প্রতিনিধি:

নাটোরের গুরুদাসপুরে পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে একদিনের কৃষক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৩ ফেব্রুয়ারী) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ।
কৃষি কাজে প্রচলিত সেচ ব্যবস্থাপনায় ৪০ শতাংশ পানি অপচয় হয়। ভুগর্ভস্থ পানির যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার ফলে পানিরস্তর ক্রমশ নিম্নমুখী। পানির অপচয়রোধে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে কৃষকদের পরিচিত করতে ওই কর্মশালার আয়োজন করে উপজেলা বিএডিসি অফিস।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্ব কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন,কৃষিকাজে পানির বিকল্প নেই। আর অপরিহার্য পানির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ভুগর্ভস্থ পানির চাপ কমানো সম্ভব। এ পশিক্ষন কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
এসময় বিএনডিসি’র জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন,সহকারী কমিশনার (ভুমি) আসাদুল ইসলাম,বিএসডিসির সহকারী প্রকশৌলী সাইদুর রহমান,কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
দিনব্যাপী ওই প্রশিক্ষনে উপজেলার ৫০ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কৃষকের মাঠে সেচ কাজে পানির স্তর নির্ধারনী পাইপ বিতরন করা হয়। ওই পাইপের মাধ্যমে পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন মতো সেচ দেয়া যায়। এতে ৩০ শতাংশ পানি সাশ্রয় হয় বলে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর