মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হাওর পাড়ের শিক্ষার্থীদের কথা বললেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তাহিরপুরে নদী পথে বিআইডব্লিউটি ও টুল টেক্সের নামে অতিরিক্ত চাদাঁবাজি বন্ধের নির্দিষ্টকালের নৌ ধর্মঘটের ডাক। যুক্তরাজ্যে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান আয়োজন ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি  সুনামগঞ্জে গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক। সুনামগঞ্জের শাল্লা থেকে বিট্রিশ আমলের লোহার পিলার(মেগনেট) উদ্ধার। মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বানারীপাড়ায় উত্তেজনা, থানার সামনে বিক্ষোভ আধখানা চিঠি বেঁধে দিও আসতে উদাসীন হলে” – নাঈমুর রহমান রাকিব  রিয়াদে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রবাস বিনোদন; গোদাগাড়ীতে চেয়ারম্যান সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদক, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, গ্রেফতারের দাবি

মাহারাম নদীর খেয়া ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের পর সাংবাদিকদের হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি / ৮৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মাহারাম নদীতে খেয়া পারাপারের নামে দীর্ঘদিন ধরে চলা চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ার পর সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মাহারাম গ্রামের আব্দুল সালাম দীর্ঘদিন ধরে খেয়াঘাটের একটি অংশের ইজারাদার ও অংশীদার হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘাটে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্থ আদায়ের একটি চক্র সক্রিয় ছিল। সম্প্রতি এসব কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় আব্দুল সালামের ছেলে শাহিন আলম তার ফেসবুক আইডিতে ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির তথ্য তুলে ধরা গণমাধ্যমের পেশাগত দায়িত্ব। কিন্তু সত্য প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হুমকি-ধামকি ও অশালীন আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

তারা আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শাহিন আলম সাংবাদিকদেরকে উদ্দেশ্যে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার ও হুমকি দিতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে শাহিন আলম বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের একাংশের মতে, খেয়া ঘাটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক লেনদেন ও অনিয়ম চললেও প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপরই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে তারা জানান।

স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং হুমকিদাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর