বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নিউজ রুম / ৭৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

 

 

মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটারঃ

 

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

 

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান

জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি।

 

তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে।

 

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর