সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এক বিসিএস থেকে আরেক বিসিএস -৪৪তমের পর ৪৭ তম বিসিএসেও সাফল্য, কুষ্টিয়ার শাকিল আহমেদের অনন্য কৃতিত্ব ৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা, মুখ খুললেন প্রধান শিক্ষক আস্থার ২৫ বছর: উৎসবমুখর আয়োজনে ব্র্যাক ব্যাংক অরুয়াইল উপ-শাখায় বর্ণাঢ্য উদযাপন। জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চারঘাটে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত, মৎস্য খামারিদের মাঝে উপকরণ বিতরণ ঝিনাইগাতীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত, মৎস্য খামারিদের মাঝে উপকরণ বিতরণ গোদাগাড়ীতে মাদকবিরোধী সভায় তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতি, আইনজীবীর প্রতিবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবরার মুজাহিদ শাকিব:দোয়া ও সমর্থন কামনা ঢাবিতে তৃতীয়, ছাত্রজীবনেই বিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের এবার বিসিএস জয় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করবে বিএমসিজে: সাব্বির হোসেন সোহাগ

ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর বাঁধ তলিয়ে বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করছে!

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ১০৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

মিজানুর রহমান,শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

 

অব্যাহত পাহাড়ি ঢলের কারণে সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গিয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলার কারাগাঁও,ধানশাইল, ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ফলে শত শত একর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে চরম হতাশা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রাতের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পায়।

রাতারাতি নদীর বাঁধের বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি উপচে পড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করে। কারাগাঁও,দুপুরিয়া,আয়নাপুর,গ্রামে। অনেক কৃষকের ঘরবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে।

কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, “এবার ধানের বাম্পার ফলনের আশা করেছিলাম। কিন্তু এক রাতের বন্যায় সব শেষ।

পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ধান আর বাঁচানো সম্ভব হবে না।” আরেক কৃষক রহিমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “সার-বীজ-কীটনাশকের টাকা ধার করে লাগিয়েছিলাম। এখন সব শূন্য।”

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান নুর বলেন, এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ হেক্টর এর বেশি বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আশা করি বৃষ্টি না হলে খুবই দ্রুত পানি নেমে যাবে। এবং যদি ভারী বৃষ্টিপাত হয় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন , ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, পাহাড়ি ঢল কমলে পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকারি সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর