সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এক বিসিএস থেকে আরেক বিসিএস -৪৪তমের পর ৪৭ তম বিসিএসেও সাফল্য, কুষ্টিয়ার শাকিল আহমেদের অনন্য কৃতিত্ব ৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা, মুখ খুললেন প্রধান শিক্ষক আস্থার ২৫ বছর: উৎসবমুখর আয়োজনে ব্র্যাক ব্যাংক অরুয়াইল উপ-শাখায় বর্ণাঢ্য উদযাপন। জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চারঘাটে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত, মৎস্য খামারিদের মাঝে উপকরণ বিতরণ ঝিনাইগাতীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত, মৎস্য খামারিদের মাঝে উপকরণ বিতরণ গোদাগাড়ীতে মাদকবিরোধী সভায় তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর আলমের উপস্থিতি, আইনজীবীর প্রতিবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবরার মুজাহিদ শাকিব:দোয়া ও সমর্থন কামনা ঢাবিতে তৃতীয়, ছাত্রজীবনেই বিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের এবার বিসিএস জয় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করবে বিএমসিজে: সাব্বির হোসেন সোহাগ

৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা, মুখ খুললেন প্রধান শিক্ষক

প্রতিবেদকের নাম / ৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর
উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক শিপলু স্যারের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু
বলেন, “বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আমি আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “না, না, এ ধরনের কোনো বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।”

সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কীভাবে গেল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তারা বলছেন, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর