সুনামগঞ্জে আলোচিত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স ও তার পরিবারের গ্রেফতার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই না করে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ পিপিএম, একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া প্রিন্সের পরিবারের সদস্যদের আটকের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে ওসি জানান, প্রিন্সকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে নয়, বরং হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায়ভার একান্তই তাঁর নিজের। পুলিশ নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করতে চায় না। তবে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তাঁকে আইনের আওতায় আনাও পুলিশের দায়িত্ব।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে ব্যবহার করে একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। একই ধারাবাহিকতায় নিষিদ্ধঘোষিত একটি ছাত্রসংগঠনের কমিটিতে পদ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাও প্রকাশ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপপ্রচার কিংবা আবেগপ্রবণ বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে প্রকৃত ঘটনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার প্রতি সবার আস্থা রাখা উচিত।
সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওসি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস না করে পুলিশের পেশাদারিত্বের ওপর আস্থা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখুন। সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ভবিষ্যতেও জনগণের সেবা করে যেতে চায় পুলিশ।
তিনি তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতাকে পাথেয় করে ভবিষ্যতেও জনগণের সেবা করে যেতে চাই।