সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ান এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত; বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাতে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ: বাইরে থেকে তালা মেরে বসতঘরে আগুন, প্রাণনাশের চেষ্টা বটিয়াঘাটায় সুলভ মূল্যে বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন। আসন্ন কুমারখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছাত্রনেতা আরিয়ান অনিক বটিয়াঘাটায় পার্চিং উৎসব অনুষ্ঠাত কারমাইকেল কলেজ প্রাক্তন শিক্ষার্থী সমিতির ইফতার মাহফিল ১৩ মার্চ বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের উন্নয়ন কাজের প্রথম উদ্বোধন ত্যাগ সংগ্রাম ও সাহসের অনন্য দৃষ্টান্ত এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী রূপগঞ্জে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লুটপাটের শিকার কারখানা মালিকের সংবাদ সম্মেলন

বটিয়াঘাটায় পার্চিং উৎসব অনুষ্ঠাত

সহকারী বার্তা সম্পাদক শেখ মাহফুজুল হক সানি / ৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

মোঃ ইমরান হোসেন বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ–

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় ইরি ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে প্রাচীন ও প্রাকৃতিক বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টায় ১ নং জলমা ইউনিয়নের রূপসী রূপসা এলাকায় বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর এ কর্মসূচি আয়োজন করেন। ৬৫ শতাংশ কীটনাশক ব্যাবহার না করেই পাখি ক্ষতিকারক পোকা খেয়ে ফেলবে,ফলে মানব স্বাস্থ্যের ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং পরিবেশ দূষণ রোধ হবে।প্রদর্শনীতে ধানক্ষেতে ডাল পুঁতে প্রাকৃতিকভাবে পোকা দমনের পদ্ধতি কৃষকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় কৃষকদের এ পদ্ধতি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হয় এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক পি.পি. মো. তৈহীদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবুবককর সিদ্দিক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সরকার, ব্লক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জীবনানন্দ ও দীপঙ্কর মণ্ডল।এ সময় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,মোঃ কামাল গাজী, আব্দুল কুদ্দুস, কালাম গাজী, শাহজাহান মোস্তফা, জামিলসহ আরও অনেকে।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাচীন ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ করলে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমবে এবং জমির উর্বরতা ও পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্যোগে ঐ এলাকায় প্রায় ১২ থেকে ১৩ একর পতিত জমি চাষের আওতায় আনা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর