বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঈদ উপলক্ষে রাউজান প্রেস ক্লাবের উপহার বিতরণ সাংবাদিকদের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়: সাবের সুলতান কাজল নীলফামারী সদরবাসীকে যুবদল নেতা শামীম শাহ্ আলম (তমু)-এর ঈদ শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-কে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শে রূপান্তরের অভিযোগ: ফ্যাসিস্ট দোসর পুনর্বাসনের অপচেষ্টা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল ওয়াহেদ সরকার “আজ আমার জন্মদিন” ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটালের ডাইরেক্টর মোঃ আক্তার হোসেন র‍্যাবের নতুন ডিজি কারমাইকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র আহসান হাবীব পলাশকে প্রাক্তন শিক্ষার্থী সমিতির অভিনন্দন বৃটেনের কাডিফে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র সাউথ ওয়েলস রিজিওনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত উপজেলা প্রেসক্লাব ভূরুঙ্গামারী’র ইফতার মাহফিল ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মো:শাহজালাল, সাধারণ সম্পাদক কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি ঝিনাইগাতী, শেরপুর।

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাই  উন্নত রাষ্ট্রের অন্যতম ভিত্তি।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি। / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি।

যদি উদয়মান ব্যাঘ্র হতে চাও, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষায় বিনিয়োগ কর।যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত, সেই জাতিই তত বেশি উন্নত।  শিক্ষার মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। একটি দালানের যদি নিচের  ফাউন্ডেশন ভাল হয়, সেই দালান অবশ্যই টেকসই এবং মজবুত হবে।

তেমনি শিক্ষা জীবনের প্রথম স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়।একজন শিশু তার প্রাথমিক শিক্ষা জীবনে জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে যদি তার সকল যোগ্যতা অর্জন করে,তাহলে ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনে সে হোঁচট খাবে না।

বাংলাদেশের মানুষ কর্মঠ। এ দেশ অনেক আগে উন্নত রাষ্ট্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হত।কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষাই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে এই দেশ পিছিয়ে রয়েছে। অতীতে প্রাথমিক শিক্ষক পদে অনেকেই আবেদন করতো না।তখন প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন খুবই নগন্য ছিল।

বেতন কম বলে  অনেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের সাথে  মেয়ে বিয়ে দিতে চাইতো না, কারণ তার সংসারের ব্যয় ভার  বহন করতে হিমশিম খাবে।

দক্ষ জনশক্তি হল উন্নত দেশের চাবিকাঠি। দক্ষ জনশক্তি গড়ার ১ম স্তর প্রাথমিক বিদ্যালয়।প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যদি কর্ম জীবনমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয় এবং ধারাবাহিকতায় উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কর্মমুখী বিষয়ের গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে কোন মানুষ বেকার থাকবে না। বাংলাদেশের আয়তন অনুযায়ী জনসংখ্যা অনেক বেশি। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর করে দেশে বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

জনসম্পদে রুপান্তরের প্রথম ভিত্তি প্রাথমিক শিক্ষা। যেমন: একজন ব্যবসায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যদি বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে, সে কোন বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবে।

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত কল্পে নিজস্ব অভিমত :
১।প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১:৩০ শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিশ্চিত করা।
২. শিশুরা খেলাধুলা করতে খুবই আগ্রহী বিধায় পাঠদানের কর্মঘণ্টা কমিয়ে খেলাধুলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা।
৩. শিশুদের অতিরিক্ত পড়ালেখার চাপে না রেখে সকাল ৮টা – দুপুর ১টা পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা রাখা।
৪. মনিটরিং ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া।
৫. পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা।
৬. শিক্ষকদের মানসম্মত বেতনের ব্যবস্থা করা।
৭. রাষ্ট্রের যে কোন দপ্তরে শিক্ষকদের যথাযথ  মর্যাদার ব্যবস্থা রাখা।
৮. মানসম্মত অবকাঠামো ব্যবস্থা রাখা।
৯. ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা।
১০. মন্ত্রণালয় পর্যন্ত শিক্ষকদের পদোন্নতির ব্যবস্থা রাখা।
লেখক : মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
প্রধান শিক্ষক
বাঁশখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
চট্টগ্রাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর