শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ইসলামপুরে মাছ চুরি সন্দেহে এক যুবককে রাতভর নির্যাতন করে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করল ইউপি সদস্য ভোগান্তির নাম বড়শশী সরদার পাড়া-ভাউলাগঞ্জ সংযোগ সড়ক: চেয়ারম্যানের আশ্বাসে ফল মেলেনি, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী অদক্ষতা লুকানো: নীরব আত্মবিনাশের এক বিপজ্জনক রূপ—-মোঃ সেলিম উদ্দীন মুভমেন্ট ফর পাংকচুয়ালিটির বর্ষপূর্তি উদযাপন রিয়াদে সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরাম ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পুনর্গঠন; ভুরুঙ্গামারীতে বাজার উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন এমপি আনোয়ারুল ইসলাম ‘মুজিব নগর সরকার’ গঠন বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবগাথা সাফল্য..মকিস মনসুর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অসহায় ও ভূমিহীনদের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। বাঁশখালীতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হারুনুর রশীদ: দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা। তাহিরপুর সীমান্তে মৃত্যুফাঁদ: ভারতের কয়লা খাদানে বাংলাদেশি নিহত।

ইসলামপুরে মাছ চুরি সন্দেহে এক যুবককে রাতভর নির্যাতন করে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করল ইউপি সদস্য

প্রতিবেদকের নাম / ২৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

কক্সবাজার ঈদগাঁও উপজেলায় মাছ চুরির মিথ্যে
অভিযোগে রাতভর মধ্যযুগীয় কায়দায় পৈশাচিক
নির্যাতন চালিয়ে চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইসলামপুর ইউনিয়নের (৩ নং ওয়ার্ড) মেম্বার নুর মোহাম্মদ এর বিরোদ্ধে ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে উপজেলার মধ্যম নাপিত খালী এলাকায় সোলাইমান ড্রাইভারে ছেলে সেলিম বাবুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মাছ চুরি সন্দহে এমন অমানুষিক নির্যাতন চালান মেম্বার নুর মোহাম্মদ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা।

আহতের স্ত্রী জানান, মিথ্যে মাছ চুরির সন্দহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আমার স্বামীকে রাতভর যে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানাই। সকালে খবর পেয়ে আমি আমার স্বামীকে মার ধরে হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে মেম্বারের ছেলে ইযাবা ব্যবসায়ী আতা উল্লাহ আমার চুলের মুড়ি ধরে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারে।

এবং (৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার) মোহাম্ম আলী খালি ষ্টামে আমার স্বাক্ষর নিয়ে রাখে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আমার স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে আসি এবং বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
স্হানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে তিনি এমন অমানবিক করতে পারেনা। এ-র আগে ও তিনি দুইজন চৌকিদার পিটিয়ে আহত করে ছিলেন। তারা আরো জানান,সন্দেহভাজন ব্যক্তি যদি তিনি অপরাধ করে থাকেন, তবে তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে অমানবিকভাবে পিটিয়ে চোখ তুলে নেওয়া বা হাড় ভেঙে দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই পৈশাচিক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর