বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে ভারতের কয়লার গুহায় মাটি চাপায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু। বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা ফিজিওথেরাপি পেশার স্বীকৃতি ও রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন বাস্তবায়নের দাবি ঝিনাইগাতীতে বাফার গোডাউন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক রাউজানে বেপরোয়া চাঁদের গাড়ির এক্সিডেন্ট থেকে অল্পের জন্যে বেঁচে গেল মাদ্রাসা শিক্ষক র‌্যাব-৭ অধিনায়কের সঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ সিংড়ায় ছাত্রদল নেতা কাজলের সঙ্গে একাধিক নারীর ছবি ভাইরাল, ‘এআইয়ের কারসাজি’ দাবি কাজলের বাকৃবির নবনিযুক্ত উপাচার্যকে বাংলাদেশ ফিসারিজ এক্সিকিউটিভ অ্যাসোসিয়েশন ও কৃষিবিদ আনোয়ার পারভেজের শুভেচ্ছা বিএনপি নেতা রহমতুল্লাহ অসুস্থ, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা সুনামগঞ্জে ব্যাটারী চালিত অটো রিকশায় নতুন নম্বর প্লেট প্রদানের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন মালিক শ্রমিক সমবায় পরিষদ মেধাবী শিক্ষার্থী রিমু আক্তারকে সম্মাননা স্মারক ও বই উপহার দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার

আমার বাবার সন্ধান চাই- আছলিমা বেগম

প্রতিবেদকের নাম / ২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫

  1. ডেক্স রিপোর্ট::

গত ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে আমার পিতা আব্দুল মছব্বির নিখোঁজ রয়েছেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় আমরা পরিবার হিসেবে গভীর উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

আমার বাবা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বিএনপি নেতা ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
ও তার দোসরদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের হুমকি বা চাপের মুখে ছিলেন। কারন তিনি তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সোচ্চার ছিলেন বিগত কয়েক বছর যাবত।

পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা অভিযোগ করছি, তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পেছনে বিএনপির নেতা ও বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে বারবার গেলেও পুলিশ আমাদের অভিযোগ আমলে নেয়নি বরং আমাদেরকে চুপ থাকার হুমকি দেয়।

আরিফুল হক চৌধুরী বর্তমানে সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের তথ্যেও তাঁর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আমাদের প্রধান দাবি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়—আমার ভাইকে খুঁজে বের করা এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা।

আমাদের দাবি:

১. আমার পিতা আব্দুল মছব্বির এর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে।
২. নিখোঁজ হওয়ার দিন থেকে তাঁর মোবাইল ফোনের তথ্য, যোগাযোগের রেকর্ড, সম্ভাব্য যাতায়াতের পথ এবং সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ আইন অনুযায়ী পরীক্ষা করতে হবে।
৩. পরিবারের পক্ষ থেকে যাঁদের বিরুদ্ধে সন্দেহ বা অভিযোগের কথা জানানো হয়েছে, তাঁদের বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত করতে হবে।
৪. কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হলেও তদন্তের ক্ষেত্রে তাঁকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা যাবে না।
৫. আমার পিতা জীবিত থাকলে তাঁকে দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে এবং তাঁর কোনো ক্ষতি হয়ে থাকলে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

সত্য উদঘাটন হোক:

একজন স্বজনকে হারিয়ে তাঁর পরিবার শুধু অপেক্ষা করে থাকতে পারে না। প্রতিটি দিন আমাদের কাছে অসহনীয় অনিশ্চয়তার দিন। আমরা চাই না অনুমান, রাজনৈতিক বক্তব্য বা পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে সত্যটি হারিয়ে যাক।

আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি—০৪ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে আমার বাবা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করুন (যদিও পুলিশ আমাদেরকে কোন সাহায্য করছে না, তারপরও আমরা আশাবাদী)।

যদি তাঁর নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা থেকে থাকে, প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হোক। তাদের রাজনৈতিক শক্তি বা পরিচয় যেন এখানে মূখ্য না হয়ে দাঁড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

আমাদের একটাই দাবি—
আমার পিতার সন্ধান চাই। সত্য জানতে চাই। ন্যায়বিচার চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর