মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম বিসিএসে তথ্য ক্যাডার, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৪৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে ৩৫তম—ঢাবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর অনন্য সাফল্য মরা চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: হুমকিতে জনপদ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক প্রথম বিসিএসেই ৪৭তম পশুসম্পদ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত: নওগাঁর মাহবুবুর আলমের অনন্য সাফল্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ হয়নি, কোচিংও করেননি—দিনে চাকরি, রাতে পড়াশোনা; প্রথম চেষ্টাতেই ৪৬তম বিসিএসে আনসার ক্যাডার মুনএমের অনন্য সাফল্য দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, অবশেষে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) দুইবার ভাইভায় ব্যর্থতা, শারীরিক অসুস্থতাকেও হার মানিয়ে ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার: মেধাতালিকায় ২৮তম খালিদ হাসান (বাপ্পী) প্রথম বিসিএসেই স্বাস্থ্য ক্যাডার: মানুষের সেবার স্বপ্ন পূরণ করলেন ডা. তানজিয়া সাইফুল তৃপ্তি

গ্রামের মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক: ডা.জে এম রাসেল হাসানের সাফল্য

প্রতিবেদকের নাম / ৫৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

 

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার  ইন্দিলপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ডা. জে এম রাসেল হাসান ১২ মে ১৯৯৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা:জহুরুল হক,মাতা:নুরজাহান বেগম।

 

 

তিনি মেডিকেল শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে অসাধারণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। মেধা, পরিশ্রম ও দৃঢ় সংকল্পের সমন্বয়ে তিনি দ্রুত উন্নতির সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন।

 

ছাত্রজীবন থেকেই ডা. রাসেল ছিলেন মেধাবী। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তি (স্কলারশিপ) লাভ করেন।

 

তিনি ২০১২ সালে শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং ২০১৪ সালে শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

 

এবং এমবিবিএস: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৪-২০১৫ সেশনে কৃত্বিতের সাথে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

 

 

ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন ২০২১ সালে।ইন্টার্নি চলাকালীন সময়ে তিনি ৪১তম এবং ৪২ তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হন।পরবর্তীতে তিনি ইন্টার্নিশিপ শেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ সালে ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করেন।

 

 

তার প্রথম কর্মস্থল ছিল শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।সেখানে তিনি দায়িত্ব পালনের পর তিনি কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডি-কার্ড কোর্সে যোগ দেন।

 

 

সম্প্রতি তিনি জুন ২০২৬ সালে কার্ডিওলজিতে এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

 

একজন গ্রামীণ মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক হয়ে উঠা এবং অল্প সময়ের মধ্যে কার্ডিওলজির মতো বিশেষায়িত বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রির দিকে এগিয়ে যাওয়া— ডা. জে এম রাসেল হাসানের এই যাত্রা শেরপুরের তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

 

 

তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা অত্যন্ত আনন্দিত। জেলাবাসী তাঁর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল কর্মজীবন কামনা করছেন।

 

 

ডা. জে এম রাসেল হাসানের মতো মেধাবী চিকিৎসকদের হাত ধরে দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত হবে— এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Recent Posts

Recent Comments

No comments to show.