বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আহত পুলিশ পরিদর্শক  শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুরু নরমাল ডেলিভারি সেবা স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ প্রসবসেবার সুযোগ, কমবে প্রসূতিদের ভোগান্তি জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মার্কিন জাল ডলারসহ দুই যুবক আটক। বাংলাদেশ তরুণ সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন সুজন আহাম্মেদ ভাঙা আয়নার শহর: নীরবতাকে দূর্বলতা আর অশিষ্টতাকে স্মার্টনেস ভাবা হয়। প্রবাসীদের রক্তঘামে গড়ে ওঠা সমৃদ্ধি: স্বীকৃতি ও সুরক্ষার অধিকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন,বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। গ্রেটার সিলেট কমিউনিটির সম্মেলনে প্রবাসীদের দাবি: ওসমানী বিমানবন্দর থেকে বিদেশি ফ্লাইট চালু ও ৬ লেনের কাজ দ্রুত সম্পন্নের আহ্বান কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে আওয়ামী লীগ নেতা, এলাকায় আলোচনা বকশীগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার।

ঝিনাইগাতীতে কাঁকরোল চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক!

জিয়াউল ইসলাম জিয়া / ২৪২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গোমড়া,হলদিগ্রাম,সন্ধাকুড়া, গ্রামে কাঁকরোল চাষে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন, যা এই এলাকাকে “কাঁকরোল গ্রাম” হিসেবে পরিচিত করেছে।

 উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি বছরে ৯২ হেক্টর জমিতে এই পুষ্টিকর সবজির আবাদ হয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

আধুনিক পদ্ধতিতে মাচায় চাষ ও বিষমুক্ত প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষকরা বিঘাপ্রতি লক্ষ্যাধিক টাকার লাভের আশা করছেন।  

ঝিনাইগাতীর গোমড়া, হলদিগ্রাম ও সন্ধাকুড়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপকভাবে কাঁকরোল চাষ হচ্ছে।

জানা যায়, এটি গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালের লতানো ফসল। মার্চ-এপ্রিল মাসে কন্দমূল বা মোথা বপন করা হয় এবং ৯০-১০০ দিনের মধ্যে ফলন শুরু হয়।

আধুনিক প্রযুক্তি: মাচা পদ্ধতিতে চাষ করা হয়, যা ফলন বাড়ায়। পোকা দমনে ক্ষতিকারক কীটনাশকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ‘সেক্স ফেরোমন ফাঁদ’ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা নিরাপদ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করে।
প্রতি বিঘায় ৩০-৪০ হাজার টাকা খরচে লাখ টাকার উপরে লাভ করা সম্ভব।

হলদীগ্রামের কৃষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমি ৪৫ শতাংশ জমিতে কাঁকরোল চাষ করেছি আশা করছি ভালো ফলন পাব।

কৃষক ইসমাইল হোসেন ও মোজাফফর আলী বলেন, গোমড়া ও হলদীগ্রাম গ্রামের অন্তত ৪০০ কৃষক সম্পূর্ণভাবে কাঁকরোল চাষের ওপর নির্ভরশীল। এই চাষের ফলে অনেকের সংসারের চাকা সচল হয়েছে এবং দারিদ্র্য দূর হয়েছে।

গারোকোনা বাজারের ব্যাবসায়ী কাওসার আহমেদ বলেন,এ গ্রামে কাঁকরোল করে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এবং কাঁকরোল ক্যালসিয়াম, লৌহ, ফসফরাস, ভিটামিন-এ, বি, এবং সি সমৃদ্ধ। এতে বিদ্যমান বিটা ক্যারোটিন ত্বক ভালো রাখে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।  

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ওহেদুজ্জামান নুর প্রতিনিধিকে বলেন,উপজেলার কৃষকদের এই সবজির চাষ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে আসছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর