বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিন্নারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ডা. আলী আক্কাছ। ব্র্যাকের উদ্যেগে কুষ্টিয়া-২ অঞ্চলের দৌলতপুর-১, ২ এবং ভেড়ামারা এলাকা অফিসের আওতায় সকল শাখায় বিনামুল্যে হাঁস এবং মুরগির বাচ্চা পলনের প্রশিক্ষণের আয়োজন ও বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক এনজিওর উদ্যোগে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ তাহিরপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা। শ্রীবরদীতে বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মনীষা আহমেদ রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১ হাজার ৬৮ বোতল অ্যালকোহল মাহারাম নদীর খেয়া ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের পর সাংবাদিকদের হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ ঝিনাইগাতীতে ব্র্যাক স্বপ্নসারথি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন ও টিকাদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ৩ নং নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী কাওসার আহমেদ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আইটি শাখায় বিভাগীয় প্রধান মনোয়ারুল ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হলো চেয়ারম্যান ও সচিব মহোদয়কে

তাহিরপুরে ন্যায় বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মনোয়ারা বেগমের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন।

প্রতিবেদকের নাম / ২৪২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে নিরীহ এক প্রবাসী নারীর পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে প্রায় নয় লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পৌর বিপনী ভবনের দ্বিতীয় তলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মেয়ে মোছা. মরিয়ম আক্তার।

তিনি জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সোমবার পাওনা টাকা নিয়ে একই গ্রামের আব্দুল হামিদ ও হোসেন আলীর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার ২৬ দিন পর আব্দুল হামিদের পক্ষের সোনা মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর প্রতিপক্ষের লোকজন হোসেন আলীর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে ১৯টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

মরিয়ম আক্তার বলেন, আমার মা মনোয়ারা বেগম আট বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। আমর এক ছোট ভাই-ও আমি সহ দুই বোন দেশে থাকি। আমাদের পরিবারের কেউ ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়। তারপরও হামিদ গংরা আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এতে প্রায় নয় লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমার মা বিদেশে অবস্থান করলেও তাকে লুটের মামলায় ১০ নং সাক্ষী করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন আবারও আমাদের বাড়ি ও আমার স্বামীর বাড়িতে গিয়ে হামলার হুমকি দেয়।

এ ঘটনায় মরিয়ম আক্তার ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন। তারা প্রশাসনের কাছে জানমালের নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর