রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত নেয়নি পুলিশ: রাশেদ খান ​প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে শেষ বিদায়: বৃটেন কমিউনিটির শোক টেকনাফে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটির সভা সাতকানিয়ায় হত্যা ও অস্ত্রসহ ৯ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন? যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় এসএসএস-এর ‘বেস্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত গর্জনীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী র আহ্বায়ক কমিটি গঠিত সাংবাদিক বেলাল উদ্দীন আহ্বায়ক মাওলানা মাছুমুর রশিদ সচিব নকলায় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু বকশীগঞ্জে ডিলার ও রিটেইলার সম্মেলনে কাবেরী ৫০ জাত ভুট্টার মোড়ক উন্মোচন উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আনার অভিযোগে উখিয়ায় যুবক আটক মাটি খুঁড়ে মিলল ১০ হাজার ইয়াবা, বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে ৭ সদস্যের আন্দোলন সমন্বয় কমিটি গঠন দেওয়ানগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার তাহিরপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মো: মকবুল হোসেনের প্রার্থিতা ঘোষণা। তাড়াশে শিয়াল ঠেকাতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ, প্রাণ গেল গৃহবধূর, আশঙ্কাজনক দুই শিশু বকশীগঞ্জে বগারচর আদর্শ রানার্স ক্লাবের উদ্যোগে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, ঈদগাঁওয়ে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ শেরপুর জেলা ছাত্রশক্তির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করল জেলা এনসিপি চুরির অভিযোগে চাকমারকুল ক্যাম্পে গ্রেপ্তার ৩
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশক ও সম্পাদক সোহেল সরকার কর্তৃক   বাংলা নিউজ মিডিয়া থেকে সম্পাদিত ও প্রকাশিত দৈনিক সোনালী সময় পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654

তাহিরপুরে হত্যাকাণ্ডের জেরে প্রতিপক্ষের ১৯টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটতরাজ

দৈনিক সোনালী সময় / ১৯৩ বার দেখা হয়েছে
নিউজটি প্রকাশ হয়েছে রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হলহলিয়া গ্রামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জেরে প্রতিপক্ষের ১৯টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটতরাজের ঘটনায় নতুন তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় গত ২৬ অক্টোবর (রবিবার) দুপুরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আদালত, সুনামগঞ্জে ১৪ নম্বর মামলাটি দায়ের করেন হলহলিয়া গ্রামের আমির আলীর পুত্র সুলতান মিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সোনা মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। হত্যাকাণ্ডের পরদিনই আমির আলীর গোত্রভুক্ত ১৯টি বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটতরাজ চালানো হয়। প্রতিপক্ষ সাদেক আলীর গোত্রভুক্ত লোকজন এই হামলার নেতৃত্ব দেয় বলে জানা গেছে।

গত ৬, ৭ ও ৮ নভেম্বর মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা যায়, নুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তি লুটপাটের নেতৃত্ব দেন। তার নেতৃত্বে একদল লোক আমির আলীর পরিবারের বাড়িঘর ভেঙে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

অনুসন্ধানকালে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বড়ছড়া বালুরচর গ্রামের আলমগীরের স্ত্রী শেফালি বেগম, বড়ছড়া গ্রামের সেলিম মিয়া, ফুটিয়া গ্রামের ফজলুল হক, এবং হলহলিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক, যমুনা বেগম, খালেক মিয়া, এমদাদুল হক ও আমির আলীসহ একাধিক লুটপাট ক্রয়ের ব্যক্তিরা জানান, নুর ইসলাম ও তার সহযোগীরা লুট করা মালামাল পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিবারের কাছে বিক্রি করেছে। আমরা নিজেরাই নুর ইসলামের কাছ থেকে টাকা দিয়ে এসব মালামাল কিনেছি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অনেকে প্রভাব খাটিয়ে লুটের অর্থ ভাগাভাগি করেছে। তারা দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানান।

স্থানীয়রা জানান, হলহলিয়া গ্রামের এই সংঘাত শুধুমাত্র একটি হত্যাকাণ্ড নয় এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ ও গোত্রভিত্তিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। হত্যার পর প্রতিশোধপরায়ণ একদল লোক পরিস্থিতিকে ঘৃণ্য লুটতরাজে রূপ দিয়েছে, যা গ্রামীণ সহিংসতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।
আরো জানান,১৯ টি ঘরের ভিটায় হালচাষ করে মুলা ডেঙ্গা এসব ধরনের সবজি চাষ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিরপরাধ অনেকেও মামলার আসামি হয়েছেন। হলহলিয়া গ্রামের কাঠমিস্ত্রি উসমান গনি জানান, ঘটনার দিন তিনি পাশের এলাকায় লেদার বন্দ কাজে ছিলেন, কিন্তু হত্যাকাণ্ড মামলার ১৩নং আসামি হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও হত্যা মামলার আরেক আসামি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা অবস্থান করলেও তাকে দেওয়া হয়েছে হত্যা মামলার আসামি।

অন্যদিকে, সৌদি আরব প্রবাসে থেকেও রক্ষা পাননি প্রবাসী মনোয়ারা বেগম। তার দুটি ঘর ও আসবাবপত্রসহ সবকিছু লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার প্রবাস জীবনের আট বছরের পরিশ্রমে যা কিছু অর্জন করেছিলাম, সবকিছুই নুর ইসলামের নেতৃত্বে একদল লোক লুট করে নিয়ে গেছে।

স্থানীয়রা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে লুটপাটে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও নিরপরাধদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য।

তাহিরপুর থানা এস আই পঙ্কজ জানিয়েছেন, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে লুটপাটে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে এবং এখন পর্যন্ত তদন্ত চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো সংবাদ