বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শ্রীবরদীতে বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মনীষা আহমেদ রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১ হাজার ৬৮ বোতল অ্যালকোহল মাহারাম নদীর খেয়া ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের পর সাংবাদিকদের হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ ঝিনাইগাতীতে ব্র্যাক স্বপ্নসারথি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন ও টিকাদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ৩ নং নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী কাওসার আহমেদ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আইটি শাখায় বিভাগীয় প্রধান মনোয়ারুল ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হলো চেয়ারম্যান ও সচিব মহোদয়কে শ্রীবরদীতে তামাক নিয়ন্ত্রণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সিংগাইরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস নিখোঁজ সংবাদ মোনায়েম শাহ বাজারে অভিযান:মাছের প্রজেক্ট থেকে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মুরগির নাড়িভুঁড়িসহ বহনকারী গাড়ি জব্দ!

বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী বাবর আলীর মানববন্ধন

প্রতিবেদকের নাম / ২৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

 

মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটার।

 

 

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে সালিশি বৈঠক ও দলিলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

ভুক্তভোগী বাবর আলী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় হরিরামপুর গ্রামের বিতর্কিত জমির পাশের রাস্তায় এ মানবন্ধন হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ অর্ধশতাধিক স্থায়ী বাসিন্দা অংশ নেন।

 

মানবন্ধনে বাবর আলী অভিযোগ করে বলেন, তার পিতা ১৯৭৫ সালে রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ২৯৫০ নম্বর দলিল মূলে জায়েদা খাতুন ও দুংখিনী খাতুনের কাছ থেকে দুই দাগে জমি ক্রয় করেন। নামজারি সম্পন্ন হলেও প্রতিপক্ষ মো. আলাম উদ্দিন গত ৫০ বছর ধরে তা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন।

 

তিনি জানান, গত ৯ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকে কাগজপত্র দেখে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাকে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সীমানা খুঁটি স্থাপনের পর আলাম উদ্দিন ও তার লোকজন তা বলপ্রয়োগ করে তুলে ফেলে দেন। বর্তমানে আলাম উদ্দিন সালিশনামা গোপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার ও সালিশকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন বাবর আলী।

 

বাবর আলী বলেন, ইমান উদ্দিনের ২০.৫০ শতক জমি মকবুল ও নাতনী চেনু বেগমের দখলে এবং চাহার উদ্দিনের ২০.৫ শতক জমি আলাম ও কালামের দখলে রয়েছে। তারা রাস্তার পাশে জমি পেলে এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় প্রজা হিসেবে তিনি কেন রাস্তার সাথে জমি পাবেন না। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমানায় পূর্ব পাশের পিলার থেকে ২৫ ফুট ও পশ্চিম পাশের পিলার থেকে ১৭ ফুট দূরে তাদের বাড়ি রয়েছে, তাই বাড়ি ভাঙার আশঙ্কা ভিত্তিহীন।

 

৩ নম্বর পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অমল থান্ডার বলেন, সালিশে উভয় পক্ষের সম্মতিতেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আলাম উদ্দিন সালিশকারীদের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি উপস্থিত সম্মানিত ব্যক্তিদের মান ক্ষুণ্ণ করেছে।

 

সালিশে উপস্থিত সাবেক ইউপি সদস্য ছিয়ার উদ্দিন জানান, উভয় পক্ষের উপস্থিতেই সুষ্ঠু বিচার করা হয়েছিল। আলাম উদ্দিনের দেওয়া তথ্য বিভ্রান্তিকর।

 

মানবন্ধন থেকে বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বাবর আলীকে তার ন্যায্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর