সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মানুষের হাতে যখন মানুষ নিরাপদ নয় অগ্রণী বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে সুবর্ণজয়ন্তী ২০২৬ উদযাপনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম উদ্বোধন ন্যাম ভবনের কক্ষে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন  গুরুদাসপুরে সাংবাদিক সোহেল রানা ও পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ নিলাদ্রী লেক নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, অভিযোগকারী পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন। ঢাকার ‘লকডাউন’ সফল হওয়ায় জনসাধারণকে ধন্যবাদ ড. জয়নুল আবেদীন রোজের শ্রীবরদী ৬নং সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আশিক মাহমুদ সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী লন্ডনে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঝিনাইগাতীতে পর্যটকদের জন্য মোটেল নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন অতিরিক্ত সচিবের

সুনামগঞ্জে গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক।

বিশেষ প্রতিনিধি / ৯৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিযনের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ৮ মাসের এক শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনক অবস্থায় ৪জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

সোমবার ২৭ জুলাই দুপুরে খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে এস আই মোহন দাসসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আট মাস বয়সী শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নাম আমির হামজা(৮ মাস)। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন(৩০),আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩৭),মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম(৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম(৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার সকালে ঘুম থেকে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান।

সকাল ৭টায় শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ঐ শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ হেফাজতে আনা সন্দেহভাজন চারজনের নিহত শিশুটির পিতা সাব্বিরের হোসেনের সাথে পূর্ববিরোধ থেকেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এই চারজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুটির পিতা অবিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com