মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মেধাবী শিক্ষার্থী রিমু আক্তারকে সম্মাননা স্মারক ও বই উপহার দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রভাষক তারিকুল ইসলাম সরকার ঘর ভেঙেও থামেনি জুয়ার আসর, ফের গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। তাহিরপুরে আটক নাসির বিড়ি’র হদিস মিলছে না, প্রশ্নের মুখে মাদক নির্মূল ঐক্য পরিষদ। আ:লীগের মিছিলের মামলায়,সাংবাদিক, যুবদল কর্মী, শিক্ষক ও ওমরাহ পালনরত ব্যক্তির নাম থাকায় উঠছে নানা প্রশ্ন। বিএনপি নেতার অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ করায় মানবাধিকার নেতাকে হত্যা ও গুমের হুমকির অভিযোগ বগুড়ায় মৎস্য হ্যাচারি মালিক কল্যাণ সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত। লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ উদযাপনের ঘোষণা: দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্যের আহ্বান বাংলাদেশের পাসপোর্ট সেবা ও নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বিদেশী প্রতিষ্ঠানের হাতে হস্তান্তর বন্ধের দাবিতে রিয়াদ প্রবাসী বাংলাদেশী সচেতন মহলের সংবাদ সম্মেলনে; বেতন বৃদ্ধি প্রয়োজন, তবে তার সঙ্গে চাই ন্যায়সংগত কর্মমূল্যায়ন—মোঃ আসাদ উল্লাহ, বিএসসি

চাচাদের প্রতারণার শিকার এতিম দুই ভাতিজা, দখল পুনরুদ্ধারের মামলা চলমান; ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা

নিউজ রুমঃ / ৭৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

 

 

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের লালুয়া মাঝিরা গ্রামে পৈতৃক জমি নিয়ে চাচাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই এতিম ভাতিজা আদালতে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করেছেন। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

জানা যায়, সংশ্লিষ্ট জমির আরএস রেকর্ডভুক্ত মালিক ছিলেন জহুরা খাতুন। তাঁর মৃত্যুর পর সকল উত্তরাধিকারী পারিবারিকভাবে একটি ঘরোয়া আপোষ বণ্টননামা সম্পাদন করেন, যা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত হয়। ওই বণ্টননামা অনুযায়ী আব্দুল হালিম খন্দকার আরএস ২৬৯ নম্বর খতিয়ানের ৫৭৩ নম্বর দাগে ১০১ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন এবং তাঁর নামে নামজারি সম্পন্ন হয়, যার খতিয়ান নম্বর ছিল ১০০৩

পরবর্তীতে আব্দুল হালিম খন্দকার মৃত্যুবরণ করলে তিনি স্ত্রী ও দুই পুত্র রেখে যান। তাঁর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা নিজেদের নামে নামজারি করতে গিয়ে জানতে পারেন, আব্দুল হালিম খন্দকারের নামে থাকা ১০১ শতাংশ জমি জসিম উদ্দিন কবির নামে খারিজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি জানালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আদেশে সেই খারিজ বাতিল করা হয়। পরে আব্দুল হালিম খন্দকারের বৈধ উত্তরাধিকারীদের নামে পুনরায় নামজারি সম্পন্ন হয় এবং নতুন নামজারি খতিয়ান নম্বর ২৫-১৬০৮ ইস্যু করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে তাদের চাচারা দলবল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে জোরপূর্বক জমি দখল করে নেয়। পরে তারা আদালতে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চান। তারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন বলেন, “এটা আমার মায়ের সম্পত্তি। আমরা তাকে কোনো সম্পত্তি দেব না। ও যা পারে করুক। দেশের আইন-আদালত আমরা পকেটে রাখি।”

অভিযুক্তের এই বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর