মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাদারীপুরের শিবচরের কৃতি সন্তান ইমরান ৪৭ তম বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সৌরভের স্বপ্নজয়-৪৬ তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত সিলেটের প্রিয়ন্তী সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ট্যালেন্ট ফুল বৃত্তি অর্জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্সকে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের বিদায় সংবর্ধনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবরার মুজাহিদ শাকিব:উন্নয়ন,স্বচ্ছতা, ও জনসেবার অঙ্গীকার, ইউনিয়ন বাসীর দোয়া ও সমথর্ন কামনা তিতাস নদী ও বিলে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান, বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও ধ্বংস চাচাদের প্রতারণার শিকার এতিম দুই ভাতিজা, দখল পুনরুদ্ধারের মামলা চলমান; ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ৩ যুগেও উন্নয়নের ছোঁয়া নেই ঘাগড়া দর্জিপাড়া-চক ঘাগড়া এলাকায় :৩ কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণের দাবি,চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ঘাগড়া দর্জিপাড়া,চক -ঘাগড়া গ্রামে প্রায় ৩ যুগেরও বেশি উন্নয়নের ছোঁয়া নেই:চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী 

ঘাগড়া দর্জিপাড়া,চক -ঘাগড়া গ্রামে প্রায় ৩ যুগেরও বেশি উন্নয়নের ছোঁয়া নেই:চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী 

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : / ২০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ঘাগড়া দর্জিপাড়া,চক -ঘাগড়া গ্রামে প্রায় ৩ যুগেরও বেশি উন্নয়নের ছোঁয়া নেই:চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

 

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ৬ নং হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ঘাগড়া দর্জিপাড়া থেকে চক ঘাগড়া পর্যন্ত দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বেহাল সড়ক ব্যবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। টানা বর্ষণ এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় গ্রামের অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতিতে ঘাগড়া দর্জিপাড়া ও চক ঘাগড়া গ্রামের সচেতন বাসিন্দারা  জানিয়েছেন। হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যদের জানানো হলেও এই রাস্তাটি কোনো উন্নয়নের ছোয়া পাইনি।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ঘাগড়া দর্জিপাড়া (বালির বাড়ি) থেকে চক ঘাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে ঘাগড়া সোনারপাড়া ও মাঠসংলগ্ন সড়ক, এছাড়া ঘাগড়া দর্জিপাড়া থেকে ঘাগড়া সোনারপাড়ার মাঝখান দিয়ে পাঠের পাশ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। গত প্রায় ৩০ থেকে ৪০ বছরেও এসব সড়কে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়নকাজ হয়নি।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমানে টানা বর্ষণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের নিরাপদে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে, কৃষকরা উৎপাদিত ফসল মাঠ থেকে পরিবহন করতে পারছেন না, ব্যবসায়ীরা পণ্য আনা-নেওয়ায় চরম সমস্যায় পড়ছেন। একই সঙ্গে চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে পৌঁছানো এবং অসুস্থ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। শিশু, নারী ও বয়স্কদের জন্য এ দুর্ভোগ আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি স্থায়ীভাবে সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ধরে তাদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।

 

এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শন, কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের দাবি জানান।

 

ঘাগড়া দর্জিপাড়া ও চক ঘাগড়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন জনগণের এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ উপলব্ধি করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাদের আন্তরিক উদ্যোগে এলাকার মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসবে—এটাই তাদের প্রত্যাশা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর