শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গ্রামের মেধাবী ছাত্র থেকে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসক: ডা.জে এম রাসেল হাসানের সাফল্য মানিকগঞ্জে ব্রাজিলকে উড়িয়ে আর্জেন্টিনার ‘খাসি’ জয়! “”ষোলো আনা”” চারঘাটে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান মো: সামসুজ্জামান সামু, কারমাইকেল কলেজ প্রাক্তন শিক্ষার্থী সমিতির অভিনন্দন ​ রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে উৎসবমুখর নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল। আরেফিন সড়কে বালুবাহী গাড়ির দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী। মেক্সিকোর জয় দিয়ে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ: মাঠের লড়াইয়ে বিপর্যস্ত সাউথ আফ্রিকা মোবাইল দিয়ে আঘাত করে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীর মাথা ফাটালেন শিক্ষক, থানায় অভিযোগ

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নিউজ রুম / ৭৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

 

 

মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোটারঃ

 

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

 

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান

জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের টাকা নেওয়ার বিষয়টি। তবে নিজের দায় এড়িয়ে তিনি বলেন,অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি।

 

তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে।

 

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন,আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর