বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিন্নারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ডা. আলী আক্কাছ। ব্র্যাকের উদ্যেগে কুষ্টিয়া-২ অঞ্চলের দৌলতপুর-১, ২ এবং ভেড়ামারা এলাকা অফিসের আওতায় সকল শাখায় বিনামুল্যে হাঁস এবং মুরগির বাচ্চা পলনের প্রশিক্ষণের আয়োজন ও বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক এনজিওর উদ্যোগে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ তাহিরপুরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা। শ্রীবরদীতে বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মনীষা আহমেদ রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১ হাজার ৬৮ বোতল অ্যালকোহল মাহারাম নদীর খেয়া ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের পর সাংবাদিকদের হুমকি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ ঝিনাইগাতীতে ব্র্যাক স্বপ্নসারথি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন ও টিকাদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ৩ নং নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী কাওসার আহমেদ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আইটি শাখায় বিভাগীয় প্রধান মনোয়ারুল ইসলাম কর্তৃক আয়োজিত ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হলো চেয়ারম্যান ও সচিব মহোদয়কে

পঞ্চগড়ে হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, সড়ক মুক্ত করতে গিয়ে বিপাকে  সেনাবাহিনী

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধ :

দেশের সর্ব উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে শহীদ ওসমান শরীফ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে গত ১১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধে পঞ্চগড় জেলা শহর কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

 

অবরোধের কারণে অসুস্থ রোগী ও প্রসব যন্ত্রণায় কাতর নারীরা অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরের বাইরে যেতে পারেননি। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কাজে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

আন্দোলনকারীরা জানান, শহীদ হাদি হত্যার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতেই এই মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশ আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে মহাসড়কের এক পাশে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানালেও তারা তা মানতে রাজি হননি। জনভোগান্তির বিষয়টি উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা মহাসড়কে অবস্থান আরও জোরদার করেন। ফলে হাজার হাজার যানবাহন আটকা পড়ে এবং লাখো মানুষ ভোগান্তির শিকার হন।

 

বিশেষ করে পঞ্চগড়ের করতোয়া সেতুর উভয় পাশে প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সাধারণ মানুষ সেনাবাহিনীর সহায়তা কামনা করেন।
পরিস্থিতির অবনতি দেখে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের বারবার অনুরোধ জানায়, যাতে তারা রাস্তার এক পাশে অবস্থান নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালান। তবে আন্দোলনকারীরা সেনাবাহিনীর অনুরোধ উপেক্ষা করে মহাসড়কে শুয়ে পড়ে অবরোধ আরও দীর্ঘায়িত করেন।

 

এক পর্যায়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের সরাতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে আন্দোলনকারীরা স্থান ত্যাগ করলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় সেনা সদস্যরাও এক বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন।

 

ঘটনার ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যার পর আন্দোলনকারীরা প্রায় দুই শতাধিক সমর্থক নিয়ে পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের সামনে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে সেখানে উপস্থিত হন সেনাবাহিনীর পঞ্চগড় ইউনিট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক এবং এনসিপি নেতা শার্জিস আলম।
এ সময় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হলেও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, সেনা সদস্যদের আঘাতে কয়েকজন আহত হয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।
এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন জানান, অল্প মাত্রায় আহত কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে চাইলে তাদের ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

পরে জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা স্থান ত্যাগ করেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পঞ্চগড়ে নতুন করে কোনো আন্দোলন বা সড়ক অবরোধের খবর পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর