বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান দোয়ারাবাজারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপের আহবান প্রান্তিক কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরিতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিলেন ব্রাক ডিমলায় স্বপ্নের রামডাংগা সামাজিক সংগঠন এর নলকূপ বিতরন। সিলেট রেঞ্জের সেরা ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী আনিস-উজ-জামান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালী ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান 

ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাবার সম্পত্তি হেবাবিল! ইউপি সদস্যসহ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ, ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে সুবিচার প্রার্থনা ভুক্তভোগীদের

প্রতিবেদকের নাম / ৬৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের চিলাহাটি সরকারপাড়া গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে চিকিৎসার কথা বলে কৌশলে তার সম্পত্তি গোপনে নিজেদের নামে হেবাবিল করে নিয়েছেন বড় দুই ছেলে মোঃ আবু কালাম ও ইউপি সদস্য আবু কামাল। এতে করে পরিবারের অন্য ভাই-বোনরা তাদের ন্যায্য পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ভুক্তভোগী মোঃ ফজলে রাব্বি জানান, তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব জশিয়ার রহমান ও মাতা মোছা. ছালেহা খাতুনের ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। চার ভাই ও দুই বোনের এই পরিবারে বড় দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলে সম্পত্তি দখলের পরিকল্পনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এক পর্যায়ে অসুস্থ বাবাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সম্পূর্ণ গোপনে পৈতৃক সম্পত্তি নিজেদের নামে হেবাবিল করে নেন তারা।

এ ঘটনায় শুধু ফজলে রাব্বিই নন, বরং রেজ্জাকুল ইসলাম, মোছাঃ আলিফ নুরা ও মোছাঃ নাছিমা বেগমও পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের দাবি, পিতার জীবদ্দশায় প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তারা জানতে পারেন অনেক পরে।
স্থানীয়দের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও ইউপি সদস্য আবু কামালের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ উঠায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পরিবারেরই ভাই-বোনদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা নৈতিকতা ও মানবিকতার চরম অবমাননা।

ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে আমাদের ন্যায্য অধিকার রয়েছে। প্রতারণা ও গোপন কৌশলের মাধ্যমে সেই অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা এখন ন্যায়বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।”

তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতারণার মাধ্যমে করা হেবাবিল বাতিল করে ন্যায্য অংশ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুবিচারের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল বলছে, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হলে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর