বাঁশখালীতে ক্বারি মোহাম্মদ এমরানের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ।
মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য এক ধর্মীয় পরিবারের সন্তান, মরহুম আল্লামা মুফতি আহমদ ছগির (রহ.)-এর সুযোগ্য সন্তান, হেফাজতে ইসলাম বৈলছড়ি ইউনিয়ন শাখার সম্মানিত সভাপতি এবং বলছড়ি মারকাজুস সুন্নাহ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ক্বারি মোহাম্মদ এমরানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সংঘটিত এই ন্যাক্কারজনক হামলায় ক্বারি এমরান গুরুতরভাবে আহত হন। এ ঘটনায় ধর্মপ্রাণ জনসাধারণসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
হেফাজতে ইসলাম বাঁশখালী উপজেলা শাখার সম্মানিত আমীর মাওলানা নুরুল হক সুজিশ এক বিবৃতিতে বলেন, “এ ধরনের হামলা শুধু একজন আলেমের ওপর নয়, বরং দ্বীনি অঙ্গন ও ইসলামী মূল্যবোধের ওপর আঘাত। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
সংগঠনটির বিপ্লবী সেক্রেটারি মাওলানা মহিউদ্দিন খান জসিম বলেন, “বাঁশখালীর মাটিতে আলেম-উলামাদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”
এদিকে বাঁশখালী কওমি মাদ্রাসা পরিষদের সভাপতি মুফতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ এবং সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ ইসহাকও পৃথক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বলছড়ি ইউনিয়ন শাখা হেফাজতের সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা ইব্রাহিম, বাঁশখালী ইসলামী যুব কাফেলার সভাপতি মাওলানা জুনাইদুর রশিদ শওকী এবং সেক্রেটারি মাওলানা হানিফ আল মাহমুদও একই সুরে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এই হামলা পরিকল্পিত এবং এর পেছনে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।”
নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।