বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দক্ষিণ নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিপ্লব হোসেন বাপ্পি জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কোন্নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ টাওয়ার হ্যামলেটস কেয়ারারস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মধ্যাহ্নভোজ ও ভর্তা পার্টি’ স্বপ্ন থেকে সাফল্যে:ভালোবাসা, ত্যাগ আর অধ্যবসায়ে ৪৭ তম বিসিএস একই ক্যাডারে স্বামী- স্ত্রী অনন্য অর্জন কৃষকের ছেলের স্বপ্নপূরণ: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম ৪৭তম বিসিএসে জেনারেল এডুকেশন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত শ্রীবরদীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ মাদারীপুরের শিবচরের কৃতি সন্তান ইমরান ৪৭ তম বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতি সন্তান সৌরভের স্বপ্নজয়-৪৬ তম বিসিএস কৃষি ক্যাডারে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত সিলেটের প্রিয়ন্তী সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ট্যালেন্ট ফুল বৃত্তি অর্জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্সকে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের বিদায় সংবর্ধনা

খানসামায় মসজিদের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর ও দখলের অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা

প্রতিবেদকের নাম / ১০৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের সরহদ্দ সুবর্ণখুলি মকসেদ হাজীপাড়া গ্রামে অবস্থিত জমির উদ্দিন সরকারপাড়া জামে মসজিদের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা কফিল উদ্দিন, বুলু মিয়া ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল (রবিবার) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য মোছা. মাসুদা বেগমের স্বামী মো. খাদেমুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগের সমর্থক আমিনুল হক ও তার স্ত্রী নুরায়না আক্তার নূরীর প্ররোচনায় এ ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম ও ময়েজউদ্দিন।

ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মসজিদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের তথ্যমতে, অভিযুক্ত কফিল উদ্দিনের পিতা মৃত খয়রাত হোসেন প্রথমে জমিটি ছেলের নামে লিখে দেন। পরবর্তীতে পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে ছেলের নাবালক অবস্থায় তিনি জমিটি পার্শ্ববর্তী এলাকার আনোয়ার হোসেনের কাছে বিক্রি করেন। আনোয়ার হোসেন প্রায় ১২ বছর জমিটি ভোগদখলে রাখেন এবং পরে নিজের নামে নামজারি ও খাজনা খারিজ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি জমিটি মো. মাসুদুজ্জামান সরকারের কাছে বিক্রি করেন।

মো. মাসুদুজ্জামান সরকার নিজ নামে নামজারি ও নিয়মিত খাজনা প্রদান করে পরবর্তীতে সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিটি জমির উদ্দিন সরকারপাড়া জামে মসজিদের নামে দান করেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কফিল উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর